1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শায় নিখোঁজের এক দিন পর বেতনা নদী থেকে নাসির মোল্লার মরদেহ উদ্ধার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগাঁথা ৬ ডিসেম্বর: ঐতিহাসিক দেবহাটা মুক্ত দিবস আছাদুল হককে জেলা থ্রি-হুইলার মালিক সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা দেবহাটায় ভূমিহীন কৃষক নেতা সাইফুল্লাহ লস্করের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত বীর মুক্তিযোদ্ধা এমপি রবিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান আজমল উদ্দীন নরসিংদী রায়পুরায় ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেলো ইজিবাইক, চালক নিহত পাইকগাছায় সামাজিক জবাবদিহিতা মূল স্রোতধারাকরণ বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় অটো রাইসমিলে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড; কোটি টাকার ক্ষতি সদর উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনি’র ৮৩তম জন্মবার্ষিকী পালন সাতক্ষীরায় আল-আরাফাহ্ধসঢ়; ইসলামী ব্যাংক লি: এর উদ্যোগে মানি লন্ডারিং এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ণ প্রতিরোধ বিষয়ক দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালা

এক খেতেই ৬ হাজার গাঁজা গাছ, ধ্বংস করল র‍্যাব

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

ন্যাশনাল ডেস্ক : রাঙামাটি জেলার কাউখালীতে অভিযান চালিয়ে একটি গাঁজার খেত ধ্বংস করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। অভিযানে জ্যোতিমান চাকমা নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার চান্দগাঁও ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ।  তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে বিভিন্ন সন্ত্রাসী দল সক্রিয়। ফান্ডিংয়ের জন্য এসব দল পাহাড়ি বা বাঙালিদের জিম্মি করে বনের গহিনে গাঁজা চাষ করাত। গাঁজাখেতের নিরাপত্তাও তারা নিশ্চিত করত।

বিক্রির উপযোগী হলে কারবারি ডেকে গাঁজা বিক্রি করত। এজন্য তারা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করত। তথ্য পেয়ে র‍্যাব তা যাচাই-বাছাই করে অভিযান চালায়।  র‍্যাব কর্মকর্তা এম এ ইউসুফ বলেন, অভিযানে জ্যোতিমান চাকমাকে আটক করা হয়। পরে পাঁচ একরের একটি গাঁজার খেত ধ্বংস করা হয়। এতে আনুমানিক ছয় হাজার গাঁজার গাছ ছিল। এ থেকে উৎপাদিত গাঁজার পরিমাণ হতো প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কেজি, যার আনুমানিক মূল্য আট কোটি ২৫ লাখ টাকা।

তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে যেসব সন্ত্রাসী দল আছে, সেগুলো পরিচালনার জন্য এবং অস্ত্র সংগ্রহের জন্য অর্থ দরকার। যেহেতু সে অঞ্চলে সেনাবাহিনী তৎপর রয়েছে, সরকারও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আছে তাই সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো বেশ বেকায়দায় আছে। তাদের আয় কমে যাচ্ছিল দিনদিন। নতুন করে আয়ের উৎসের খোঁজ করছিল তারা। ইদানীং তাদের আয়ের প্রধান উৎস হচ্ছে মাদকের কারবার। মাদক কারবার থেকে আসা অর্থ দিয়ে তারা সংগঠন পরিচালনা করে থাকে। কোন কোন সংগঠন জড়িত, তা তদন্তের স্বার্থে বলছি না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ