1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শায় নিখোঁজের এক দিন পর বেতনা নদী থেকে নাসির মোল্লার মরদেহ উদ্ধার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগাঁথা ৬ ডিসেম্বর: ঐতিহাসিক দেবহাটা মুক্ত দিবস আছাদুল হককে জেলা থ্রি-হুইলার মালিক সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা দেবহাটায় ভূমিহীন কৃষক নেতা সাইফুল্লাহ লস্করের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত বীর মুক্তিযোদ্ধা এমপি রবিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান আজমল উদ্দীন নরসিংদী রায়পুরায় ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেলো ইজিবাইক, চালক নিহত পাইকগাছায় সামাজিক জবাবদিহিতা মূল স্রোতধারাকরণ বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় অটো রাইসমিলে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড; কোটি টাকার ক্ষতি সদর উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনি’র ৮৩তম জন্মবার্ষিকী পালন সাতক্ষীরায় আল-আরাফাহ্ধসঢ়; ইসলামী ব্যাংক লি: এর উদ্যোগে মানি লন্ডারিং এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ণ প্রতিরোধ বিষয়ক দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালা

নিরন্তর প্রতীক্ষা”কাব্যগ্রন্থ আস্তার প্রতিক পাঠকের দৃষ্টি কোণ

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে
কবি শেখ মফিজুর রহমান

কাজী নাসীর উদ্দীন: কাব্যগ্রন্থ নিরন্তর প্রতিক্ষার একজন পাঠকের অনুভুতি থেকেই যে টুকু ঞ্জান গর্ভতায় উপলব্দি করতে সক্ষম হয়েছি শুধু মাত্র সেটুকুই বলার চেষ্টা করেছি তাই না বল্লেই নয়।



বিচক্ষন বিচারক গরীবের জজ খ্যাত বিশিষ্ট কবি শেখ মফিজুর রহমানের চেতনার বিকাশ অনবদ্য সৃষ্টিরচেতনা থেকে জন্ম নিরন্তর প্রতীক্ষা সমসাময়িক সমায়ে আলোর বিকিরণ ছড়ানো কাব্যগ্রন্থ বাস্তবতার আলোকে কাব্য গ্রন্থটি কেবল সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করবে না,বিবেক ও মানবতা বোধকে জাগ্রত করবে। এ যেন বহুমাত্রিক কথ কথার শব্দ সংগ্রহ শালার প্রত্যাশার বাতিঘর।কাব্য গ্রহন্ত নিরন্তর প্রতিক্ষার কবিতা গুলো পাঠ করলেই আধুনিক যুগসন্ধিক্ষণের কবি জীবনানন্দ দাসের উক্তি উচ্চারন না করলে একেবারেই বেমানান হবে সেই সাথে নিরন্তর কাব্যগ্রন্থের লেখক কবি শেখ মফিজুর রহমানের সৃষ্টিকর্মের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা থেকে বিরত থাকা হবে। জীবনানন্দ দাস বলেছেন, সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি, বাংলাভাষার শুদ্ধতম কবির মহাউক্তিকে সামনে রেখে কাব্যগ্রহন্ত নিরন্তর প্রতীক্ষার তেইশটি কবিতা পাঠ পরবর্তী বলতেই হয় সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি। কাব্যগ্রন্থের কবিতা গুলোর ভাবার্থ, সারাংশ, সাহিত্যরস বা জীবন ঘনিষ্ঠতা বিষয়ে বিশ্লেষনের পূর্বে কবি শেখ মফিজুর রহমানের কবিসত্তা এবং কবিতাগুলোর অন্তরআত্মা কবি মনকে কতটুকু হৃদয়পন্থী প্রত্যাশিত নারীবাদী, প্রগতিশীল, নারীবাদী সংস্কারপন্থী করেছে তা আলোচনার দাবী রাখে। অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধের মূলমন্ত্র মধ্যযুগের কবি চন্ডিদাসের অমর উক্তি সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই এই অমর মন্ত্র কবি স্বীয় চেতনার মর্মমূলে ধারণ করেছেন। কবি মনের স্পৃহা, কবির মনন, হৃদয়, উপলব্ধি, মূল্যবোধ সর্বপরি অন্তর:দৃষ্টির বহিঃপ্রকাশ তার লেখা কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে। কবি মন যেমন কবিতায় তা প্রকাশ পেয়েছে সেই দৃষ্টিকোন হতে নিরন্তর প্রতীক্ষার প্রতিটি কবিতা কবির মানসিকতা, মানবিকতার রক্তিম সংস্করণ। সত্যিকার অর্থে কবিতা গুলোতে কবির চিন্তা চেতনার বিকাশ যে ভাবে ঘটিয়েছেন।কাব্য গ্রন্থের কবিতা গুলোকে বিশেষ ভাবে সমৃদ্ধ করেছে শব্দের গাঁথুনি,শব্দ চয়ন, নৈপূণ্যতা প্রাঞ্জলতা, ধ্বনিতত্ত্ব, রুপতত্ত্ব, বাক্য বিন্যাস, বাক্যতত্ত¡, ভাষার সরলতা, গভীরতা, ঐশ্বর্যশীলতা, ব্যতিক্রমধর্মী উপমা, শব্দ, বাক্য ও ভাষার শক্তি, সৌন্দর্য, সামার্থ শব্দ প্রয়োগ। দৃশ্যতঃ কবি ভাষা শ্রমিক হিসেবে আবির্ভ‚ত হয়েছেন সহজ সরল গ্রাম্য জীবনের চিত্র আবার ইট পাথরের কংক্রিট যান্ত্রিক ও মনুষ্য জীবন বর্ণনা কবিকে কেবল শক্তিশালী কবি বা লেখক হিসেবে নয় মননজীবি ও ভাষাজ্ঞানী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। চোখে কালো কাপড় বেঁধে ন্যায় বিচারের সাথে নিজেকে একাত্বতা ঘোষণা করে চলা, ইতিহাস তৈরী করা, ইতিহাসের অংশে পরিনত হওয়ায় যে জ্ঞানের অধিকারী, সদাজাগ্রত মানসিকতাই কবি শেখ মফিজুর রহমানের প্রকৃত কবির মহাক্ষেত্র প্রস্তুত করেছেন। কবিরাও ইতিহাস তৈরি করে, কবিদের কোন দেশ নেই। কবি পৃথিবীর বিশ্বমানবতার, বিশ্ব হৃদয়ের অংশ, সাংবিধানিক বাধ্য বাধ্যবাধকতা নেই কবির।



নিরন্তর প্রতীক্ষা এর কবিতাগুলোকে পাঠক হিসেবে আমিও যেভাবে দেখেছি।
মুখোশ : যার মধ্যে রয়েছে সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, পাওয়া না পাওয়া, সমস্যা সম্ভাবনার অবারিত সময়গুলো মুখোমুখি প্রতিনিয়ত মানবকুল।
সূর্য এবং আমি: সূর্যের আলোয় আলোকিত বিশ্ব, সূর্যের বিকিরণে সদা উজ্বল্য মানবজাতি। সূর্য এবং আমি কবিতায় আমি বলতে মানুষ এবং মানবতাকে ইঙ্গিত করে তাই কবি বলতে চাইছেন মানুষ কেন সূর্যের মত নয়?

আমার রবীন্দ্রনাথ: রবীন্দ্রনাথ কেবল সাহিত্যিক বা কবি নন, তিনি মানব প্রেমিক, আধুনিকতার মূল্যবোধের মহাক্ষেত্র,তা অবলীলায় স্বীকার করেছেন কবি।
আমি নিম্ন মধ্যবিত্ত : কবিতাটিতে নিন্ম মধ্যবিত্ত পরিবারের , নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনযাত্রা দরিদ্রতার কষাঘাতের অনুভব যেমনটি ফুটে উঠেছে অনুরুপ আত্মসম্মান, নিজস্বতা, মর্যাদা, ক্ষুন্ন না করার দৃঢ় মানসিকতার প্রতিফলন ঘটেছে।



শো কেসে সাহিত্যঃ শো-কেসে সাহিত্য কাবিতাটি বাংলা সাহিত্য ভান্ডারের দুরাবস্থার ইঙ্গিত বহন করে। বাংলা ভাষা সাহিত্যের কিংবদন্তী রবীবন্দ্রনাথ, নজরুল, শরৎচন্দ্র, বঙ্কিম চন্দ্রদের লেখা বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে বুকসেলফে বন্দী। বইয়ের পরিবর্তে প্রযুক্তি নির্ভরতা দৃশ্যতঃ জ্ঞানের ভান্ডারকে পরিহাস করছে,।
আধুনিকতা মানবিকতাঃ আধুনিক যুগ জামানার চাকচিক্যতা, ইট পাথরের অট্টালিকার সাথে একাকার হয়েছে কোন কোন মানবকুল। নিজেকে নিয়ে, নিজের পরিবার নিয়ে এককভাবে থাকার নাম মানবিকতা নয়, কিন্তু সেটাই যেন অলিখিত প্রথায় ও ইচ্ছায় পরিণত হয়েছে।



নিরন্তর প্রতীক্ষাঃ আশাই একমাত্র ভরসা, নিরন্তর প্রতীক্ষা কবিতায় কবি যে আশাবাদী, মানবতাবাদী, দেশপ্রেমিক তা অতি দরদের সাথে প্রকাশ করেছেন। নতুন সূর্য যেমন আলোয় আলোকিত করে, কবি তেমন সকাল প্রত্যক্ষ করার বাসনায় প্রতীক্ষারত।



সহধর্মিনী : সহধর্মিনী কবিতাটি যতবারই পাঠ করেছি ততোবরাই মনে হয়েছে প্রকৃত স্বামীর প্রতিমুখ এবং স্ত্রীর প্রতি নির্ভরতা, বিশ্বস্থতা আর আন্তরিকতার অনুকাব্য। সহধর্মিনী সত্যিকার অর্থে জীবনের অঙ্গ, জীবনসঙ্গী।



ভালবাসার দাবি: পৈশাচিকতা, বর্বরতা, নিষ্ঠুরতা ভালবাসার দাবি কবিতায় যেন দ্রোহ আর বেদনার সাথে উপস্থাপিত হয়েছে। সমাজ ব্যবস্থায় শিশুরাও যে পাশবিকতার শিকার হচ্ছে সেটিও আলোকপাত করেছে নারী দরদী কবি।



লাল সবুজের গল্প : মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে, অপশক্তির সাথে লড়াই করে পাওয়া লাল সবুজের বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয়ের আত্মত্যাগ লাল সবুজের গল্পের কবিতায় ধ্বনি, প্রতিধ্বনি হয়েছে। বাংলাদেশের জন্ম, অভ্যুদ্বয় কেবলমাত্র এই ভৌগলিকতায় সীমাবদ্ধ নয়, সারা বিশ্বের জন্য।



অপরাজিতা নারী: নারীকে নারী হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবে দেখার দুর্বার ইচ্ছাশক্তিই অপরাজিতা নারী কবিতার মূল উপজীব্য। নারীর জন্ম হতে মৃত্যু পর্যন্ত পরতে পরতে যে অবহেলা, অযত্ন, অসম্মান, মূল স্রোতের বাইরে ভিন্ন মানুষ হিসেবে দেখার বা দেখানোর হীন চেষ্টা তারই বিরুদ্ধে সোচ্চার কবি।

যতদুরে যাই : একজন প্রবাসীর মর্মপীড়া, আত্মউপলব্ধি, পারিপার্শ্বিক অবস্থা জীবন সংগ্রামের কঠিন ববাস্তবতার অতি সুনিপুন চিত্র প্রকাশ পেয়েছে যতদুর যাই কবিতায়।
শুদ্ধ মানুষের জন্য যুদ্ধ: হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি নয় আন্তরিকতা, মায়া মমতা ভালবাসাই একজন মানুষের বৈশিষ্ট্য হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন কবি ‘শুদ্ধ মানুষের জন্য যুদ্ধ’ কবিতায়।

কালো রাত্রি শেষে: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের উদায়ের পথে শুনি কার বানী ভয় নাই ওরে ভয় নাই। বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলামের ‘দুর্গম গিরি প্রান্তর মরু দুস্তর পারাপার, লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশিতে যাত্রীরা হুশিয়ার’ কবিতারই প্রতিধ্বনি কালো রাত্রি শেষে কবিতা।
বৃষ্টি গল্প : আমাদের সাহিত্য অঙ্গনে বৃষ্টির প্রভাবের শেষ নেই। বৃষ্টির গল্প কবিতায় কবি বৃষ্টিকে নিত্যদিনের জীবনযাত্রার সৃষ্টির কথা জানলেও বৃষ্টি যে মানবকুলের জন্য বিশ্বের জন্য মানুষের জন্য আর্শিবাদ তা অতি সাবলীল ভাবে শক্তিশালী শব্দ আর উপমার মাধ্যমে অঙ্কন করেছেন।



আমি মানুষ বলছি : শেষ কথাই মানুষ, সৃষ্টি সেরা জীব মানুষ। সব কিছু ধবংস হলেও মানুষ মানুষের পাশে থাকবে এটাই মানবতা, এটাই প্রত্যাশা কবির। কিন্তু আমাদের সমাজ ব্যবস্থার চিত্র মানুষের প্রতি মানুষের মনোভাব, আচরণ, মনুষত্বের সাথে সাংঘর্ষিক।
মন থেকে মানুষ : মন থেকে মানুষ কবিতাটিতে মানব মনের পশুত্বের বিরুদ্ধে দ্রোহ, বিদ্রোহ, বিপ্লবের আওয়াজ ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হয়েছে।
বৈষম্যঃ বৈষম্য কবিতা অনন্য অসাধারণত উপমাকে সামনে রেখে বৈষম্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছেন কবি। ফুল বেঁচে যে টোকাই ঠিক করে দেখ দেখি, সেকি নিজেও একটি জীবন্ত ফুল নয়?

জীবনের গল্প : জীবন সংগ্রামে পর্যদুস্থ, বিপর্যস্থ, মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তের রোজনামচা এই কবিতা। দরিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত এমনই এক নিম্ন আয়ের পরিবারের করুন, বেদনাময়, জীবন সংগ্রামকে অতি সহজ সরল কোন কোন ক্ষেত্রে গ্রামীন ভাষায় ও উপমায় বর্ণনা করেছেন কবি।
মহামারী : তথাকথিত অভিজাত্য, সভ্যতা আধুনিকতা তথা উন্নত বিশ্বের দাবীদারদের প্রতি বিদ্রুপ, বিদ্রোহ অভিযোগের সুর প্রতিধ্বনি হয়েছে মহামারী কবিতায়। দৃশ্যতঃ মহামারী নামটি রুপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। করোনা নামক অদৃশ্য শক্তি অপ্রতিরোধ্য শক্তি নিয়ে মানব কুলকে মৃত্যুতে শায়িত করেছে।



নদী ও জীবন : জীবন চলমান, গতিময়, সেই সাথে প্রয়োজনে নিজেকে বিকশিত করা অন্যকে আলো দান করা। সম্ভাবনাময় সৃষ্টিশীল জীবন কোন কোন সময় প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়, কিন্তু কবি নদী ও জীবন কবিতায় তেমনই ঝড়-ঝন্ডা, বাঁধা বিঘ্নতাকে পরাজিত করার কথা বলেছেন।
মহাকবি মাইকেল মধুসুধন দত্ত চুরুলিয়া বা সাগরদাঁড়িতে নয়, দেশ বিদেশের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করে সাহিত্য রচনা করেছেন। অনুরুপ ভাবে নিরন্তর প্রতিক্ষা কাব্য গ্রন্থের কবিতা গুলোর অধিকাংশ জন্ম সাতক্ষীরার মাটিতে।



সাতক্ষীরার মাটি মানুষের প্রতি কবির গভীর মমত্ববোধ,আন্তরিকতাই কবির অমর সৃষ্টি নিরন্তর প্রতীক্ষা সাতক্ষীরাতেই প্রকাশ পেয়েছে। বিচারকরা সঙ্গত কারনে সমাজের শ্রদ্ধা সম্মান আর আস্থার প্রতিছবি একজন কবি যেমন মানবিক তেমনি একজন বিচারকও মানবিক।



সেই দৃষ্টিকোন হতে কবি এবং বিচারক অতি মননশীল সম্পর্কের বৃত্ত। কবি সেই মননশীল বৃত্তের সুবাসিত ফুল। বাংলা সাহিত্যের সম্রাট খ্যাত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায় ছিলেন বিচারক। কবিগুরু আইনে পড়ালেখা করেছিলেন, মহাকবি মাইকেল মধুসুধন দত্ত ছিলেন আইনবিদ। অনরুপ ভাবে সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন এবং বিচারক হিসেবে দায়িত্বও পালন করেছেন রজনীকান্ত সেন, অতুল প্রসাদ সেন, দ্বিজেন্দ্র লাল রায়, নবীন চন্দ্র সেন, হেমচন্দ্র্র বন্দোপাধ্যায়। বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি হাবিবুর রহমানও ছিলেন সাহিত্যিক। দেশের বিচার বিভাগের আলোক বর্তিকা সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ কবি শেখ মফিজুর রহমান বিচার বিভাগে কর্মরত থেকে আইন বিশ্লেষন ব্যাখ্যাসহ রাষ্ট্রীয় বিচারিক ও প্রশাসনিক কর্মকান্ড পালনের পাশাপাশি সাহিত্য সৃষ্টি ও সাহিত্য চর্চা করে চলেছেন।



কবিদের প্রয়োজন বিস্তর সময়, অলস সময়, অফুরন্ত সময় অথচ নিরন্তর প্রতিক্ষা কাব্যগ্রন্থের শৃস্টির সময় বের করা কতটুকু দুরহ তা সহজেই অনুমেয়। কর্মব্যস্ত কবি রাতের ঘুমকে কমিয়ে সময় বের করে সাহিত্য চর্চা করছেন বলে আমার মনে হয়।



বাংলা সাহিত্য প্রেমিদের জন্য তিনি আশীর্বাদ। কবিকে নিয়ে আমার উপলব্ধি তিনি ভাষা প্রয়োগে অতি পরিশ্রমি,তিনি ভাষার রার্জের একজন মননশীল ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে পরিচিত ঘটিয়েছেন এবং ভাষার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। ধন্যবাদ জানাই অফিসে কর্মরত দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের যারা আন্তরিকতার সাথে কাব্যগ্রহন্ত নিরন্তর প্রতিক্ষার কবিতা গুলি গুরুত্বের সাথে নিয়মিত প্রকাশিত হতে সহযোগীতা করেছেন । ধন্যবাদ জানাই নিরন্তর প্রতিক্ষার জনক মানবিক কবি ও মানবিক বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান মহদয়কে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ