1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী কবির উদ্দীন তোতাকে সংবর্ধনা দেবহাটায় প্রভাবশালী কর্তৃক নির্যাতিত সংখ্যালঘু পরিবারের সংবাদ সম্মেলন দেবহাটা’য় আ.লীগের নৌকার দলীয় মনোনয়ন গ্রহণ দেবহাটায় আ.লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী আসাদুলের সংবাদ সম্মেলন যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা : শ্বশুর আটক কুলিয়ায় জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় করলেন আছাদুল হক বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সাইন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে কমিউনিটি ওয়াশ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত পাইকগাছা উপজেলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষাকল্পে জরুরী মতবিনিময় রেড ক্রিসেন্ট পক্ষ থেকে বাংলাদেশ অবসর প্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির মাঝে মাস্ক প্রদান

বিশ্ব থেকে বিলীন হওয়ার পথে ৪২ দেশ

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে বিশ্ব থেকে হারিয়ে যাবে ৪২টি ছোট দেশ। এজন্য জাতিসংঘের আসন্ন সম্মেলনে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানিয়েছেন কমনওয়েলথের মহাসচিব ব্যারোনেস প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বার্তাসংস্থা এএফপি’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন।



সাক্ষাৎকারে এএফপিকে ব্যারোনেস প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অস্তিত্বের হুমকিতে রয়েছে বিশ্বের ৪২টি ছোট দেশ। আমাদের কর্মকাণ্ডে মনে হচ্ছে- এমন কিছুই হবে না। তবে ছোট ছোট এই দেশগুলো হারিয়ে যাবে।’



ডোমিনিকা বংশোদ্ভূত আইনজীবী ও সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী ব্যারোনেস প্যাট্রিসিয়া এখন কমনওয়েলথ জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এটি মূলত সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশভুক্ত দেশগুলোর জোট। ইতালির রাজধানী রোম সফরের সময় জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে তিনি একথা বলেন। সফরে তিনি পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপ দেশ টুভ্যালু ও নাউরুর মতো কমনওয়েলথের ছোট ছোট সদস্য রাষ্ট্রগুলো এখন নতুন কোনো জায়গায় যাওয়ার কথা ভাবছে। কারণ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে এবং এটি এখন খুবই বিপজ্জনক।



এছাড়া নিজের দেশসহ বিভিন্ন দেশে একের পর এক হ্যারিকেন ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েও উদ্বেগ জানান তিনি। ব্যারোনেস প্যাট্রিসিয়া বলেন, ‘ডমিনিকাকে দেখতে সাধারণত গার্ডেন অব ইডেনের মতো মনে হয়। তবে ২০১৭ সালে হ্যারিকেন মারিয়া আঘাত হানার পর সেখানকার অনেক গাছের বাকল পর্যন্ত উঠে যায়, সেসব গাছে একটি সবুজ পাতাও অবশিষ্ট ছিল না। সেটিকে এখন একটি রণক্ষেত্র বলে মনে হয়।’ স্টকল্যান্ডের গ্লাসগোতে আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে কার্বনের ব্যবহার রোধ করা এবং বিপর্যয়কর বৈশ্বিক উষ্ণতা থেকে বিশ্বকে রক্ষায় আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সমঝোতায় পৌঁছানোই এই সম্মেলনের লক্ষ্য।



গ্লাসগোর এই জলবায়ু সম্মেলনের সাফল্যের ওপর অনেকটাই নির্ভর করছে বিপর্যয় থেকে পৃথিবীকে বাঁচানোর চেষ্টা কতটা কাজ করবে। সম্মেলনে কী হয় তার ওপর আগামী দিনগুলোতে সারা বিশ্বের মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনে বড় রকমের পরিবর্তন আসতে পারে। সম্মেলনের সময় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ গ্লাসগোতে হাজির হতে পারেন, যাদের মধ্যে থাকবেন বিশ্ব নেতৃবৃন্দ, মীমাংসাকারী এবং সাংবাদিক।



হাজার হাজার অ্যাক্টিভিস্ট এবং বহু ব্যবসায়ীও সেখানে উপস্থিত হবেন। রেবেলিয়ান এক্সটিংশনের মত কট্টর পরিবেশবাদী গোষ্ঠী এখনই জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো বন্ধ করার দাবি করছে। সম্মেলনের শেষে, একটি সর্বসম্মত ঘোষণা আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। যেখানে সুনির্দিষ্ট সব অঙ্গীকার লিখিত থাকবে এবং সব দেশকে সেই ঘোষণায় স্বাক্ষর করতে হবে। ব্যারোনেস প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ডের ভাষায়, ‘আমরা সবাই একই ঝড়ের মধ্যে আছি। কিন্তু নিশ্চিতভাবেই আমরা সবাই একই নৌকায় নেই।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ