1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শায় নিখোঁজের এক দিন পর বেতনা নদী থেকে নাসির মোল্লার মরদেহ উদ্ধার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগাঁথা ৬ ডিসেম্বর: ঐতিহাসিক দেবহাটা মুক্ত দিবস আছাদুল হককে জেলা থ্রি-হুইলার মালিক সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা দেবহাটায় ভূমিহীন কৃষক নেতা সাইফুল্লাহ লস্করের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত বীর মুক্তিযোদ্ধা এমপি রবিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান আজমল উদ্দীন নরসিংদী রায়পুরায় ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেলো ইজিবাইক, চালক নিহত পাইকগাছায় সামাজিক জবাবদিহিতা মূল স্রোতধারাকরণ বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় অটো রাইসমিলে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড; কোটি টাকার ক্ষতি সদর উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনি’র ৮৩তম জন্মবার্ষিকী পালন সাতক্ষীরায় আল-আরাফাহ্ধসঢ়; ইসলামী ব্যাংক লি: এর উদ্যোগে মানি লন্ডারিং এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ণ প্রতিরোধ বিষয়ক দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালা

প্রকৃত সংবাদকর্মীদের প্রেসক্লাবে সদস্যভুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
‘‘অপেশাদার নয়, পেশাদার সংবাদকর্মীবান্ধব হোক’’-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে প্রকৃত সংবাদকর্মীদের প্রেসক্লাবে সদস্যভুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১০ অক্টোবর ২০২১) সকাল ১১ টায় শহরের নিউ মার্কেট মোড়স্থ স. ম. আলাউদ্দিন চত্ত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলায় কর্মরত প্রগতিশীল সংবাদকর্মীবৃন্দের পক্ষে এ দাবী জানান সাপ্তাহিক সূর্যের আলো পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মো. মুনসুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন মো. বায়েজীদ হাসান, মো. আশিক সরদার, মো. আহাজউদ্দিন সুমন, মো. নুর ইসলাম প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জনগুরুত্বপূর্ণ জেলা সাতক্ষীরা। এই জেলার রয়েছে অতীত ঐতিহ্য। জেলায় বসবাসরত ২২ লক্ষ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা-সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে কর্মরত সংবাদকর্মীরা। ওই সংবাদকর্মীদের মিলন কেন্দ্র বা দ্বিতীয় গৃহ নামে সমধিক সুপরিচিত সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব। সেই প্রেসক্লাব কর্মরত পেশাদার সংবাদকর্মীদের প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয়ে মূলত অপেশাদার সাংবাদিক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এছাড়াও প্রেসক্লাবে যারা সদস্য হিসেবে ইতিপূর্বে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে তাদের অধিকাংশের নেই যোগ্যতা। অথচ প্রেসক্লাবকে ভাঙ্গিয়ে তাদের মধ্যে কেউ কেউ সুদের ব্যবসা, মুহুরীর ব্যবসা, পান-বিড়ি সিগারেটের ব্যবসা, মুদি ব্যবসা, হোটেল ব্যবসা, ইটভাটা ব্যবসা, আইন ব্যবসাসহ বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান থেকে আর্থিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সাচ্ছন্দে বসবাস করছে। এছাড়াও অনেক সদস্য বিভিন্ন নামে সাংবাদিক সংগঠন বানিয়ে জেলাজুড়ে দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন। যা প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র বিরোধী।
তিনি আরও বলেন, সাতক্ষীরা থেকে নিয়মিত ৯ টি দৈনিক ও ৩ টি সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়ে আসছে। ২০১৭ সালের প্রাপ্ত তথ্যমতে ওই প্রকাশিত পত্রিকার মধ্যে দৈনিক দৃষ্টিপাতের সম্পাদক ৬০ জন, দৈনিক যুগের বার্তা পত্রিকার সম্পাদক ৪০ জন, দৈনিক সাতনদী পত্রিকার সম্পাদক ৩৪ জন, দৈনিক কাফেলা পত্রিকার সম্পাদক ৩৭ জন, দৈনিক দক্ষিণের মশাল পত্রিকার সম্পাদক ৫০ জন, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার সম্পাদক ৪৫ জন, সাপ্তাহিক মুক্ত স্বাধীনের সম্পাদক ১৯ জন. দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকার সম্পাদক ৪২ জন, দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার সম্পাদক ৬১ জন, সাপ্তাহিক সূর্যের আলো পত্রিকার সম্পাদক ১৩ জন সংবাদকর্মীকে পরিচয়পত্র প্রদান করেন। অথচ প্রেসক্লাবের সদস্য প্রতিটি দৈনিক পত্রিকার ৩ জন ও সাপ্তাহিক পত্রিকার ১ জন (সম্পাদক)। যা একটি হাস্যকর বিষয়। এছাড়াও পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকটি স্থানীয় দৈনিক/সাপ্তাহিক পত্রিকার অনুমোদন দেয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা। তবে ঐ সকল পত্রিকার প্রতিনিধিদের নির্দিষ্ট সংখ্যক তালিকা অজানা। এর বাইরেও জেলার প্রায় ১৩৫ এর অধিক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিক, বিভিন্ন টিভি চ্যানেল বা অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমের জেলা প্রতিনিধি/সংবাদদাতা রয়েছে। ওই জাতীয় ও আঞ্চলিক এবং স্থানীয় দৈনিক, সাপ্তাহিক, বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, বেতার বা অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমের কিছু সদস্য সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্যভুক্তি হতে পেরেছিলেন। আর বাকিরা হতে পারে নি। সেজন্য প্রতিটি স্থানীয় ও জাতীয় এবং আঞ্চলিক দৈনিক, বিভিন্ন টিভি চ্যানেল বা অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমের সম্পাদক বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত বা পরিচয়প্রাপ্ত পেশাদার সংবাদকর্মীদের প্রেসক্লাবে সদস্যভুক্তি করার দাবি জানাচ্ছি।
গত ১৬ মে বেলা আড়াইটার দিকে প্রেসক্লাবের ২-৩ জন সদস্যের নেতৃত্বে ২৫-৩০ ব্যক্তি মহড়া দিতে দিতে একযোগে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে প্রবেশ করে। তারা প্রেসক্লাবের স্টাফদের সাথে দুর্ব্যবহার করে এবং একযোগে সদস্যপদের জন্য ২৩টি আবেদনপত্র জমা দেয়। এরপর থেকে প্রেসক্লাবের কয়েকজন সদস্যের প্ররোচণায় উক্ত ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও তাদের সহযোগীরা প্রেসক্লাবে ঢুকে নিজেদেরকে প্রেসক্লাবের “আবেদনকারী সদস্য” হিসেবে জাহির করতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে সদস্যের আবেদন এবং সার্বিক দিক বিবেচনা করে গত ২৯ মে ২০১৯ সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে গত ২০ মার্চ গৃহীত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেন তৎকালীন কার্যনির্বাহী কমিটি। একই সভায় প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র বিরোধী কর্মকান্ড, “আবেদনকারী সদস্য”দের নিয়ে প্রেসক্লাবে মহড়া দেওয়া, প্রেসক্লাবের পুরাতন ভবনের দোতলায় অবস্থিত পরিত্যাক্ত রুম দখলের চেষ্টায় সহায়তা ও অর্থ সংক্রান্ত গুরুতর অভিযোগে সর্বসম্মতিক্রমে ৪ জনের সদস্যপদ বাতিলের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র পরিবর্তনের কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। যা অবিবেচনা ফলসূতির বহিঃপ্রকাশ মাত্র।
মুনসুর রহমান বলেন, গঠনতন্ত্র অনুমোদনের পর প্রতি বছর নির্বাচনের মধ্যদিয়ে সংগঠনটির এক বছর মেয়াদী পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। ওই গঠিত কমিটির অধীন্থ নেতৃবৃন্দ শুধুমাত্র ক্ষমতা কুক্ষিতগত করে রাখার জন্য প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র পরিবর্তন না করে বরং তাদের কাজের লোকদের পাশাপাশি বিভিন্ন অপেশাদার সংবাদকর্মীদের সদস্যপদ দিয়েছে। কিন্তু প্রকৃত মাঠের সংবাদকর্মীদের সদস্যপদ দেয়নি। যার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন কার্যনির্বাহী কমিটির বিরুদ্ধে চরম স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে দ্রুতই এর প্রতিকারের দাবিতে লিখিত আবেদন করে  প্রেসক্লাবেরই ২৭জন সদস্য। লিখিত আবেদনে উল্লিখিত বিষয়ে কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণে গাফিলতি/গড়িমসি করলে গঠনতন্ত্রের আলোকে পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণে আবেদনকারীরাই বাধ্য হবে বলে আল্টিমেটাম দেয়। তা না মানায় গত ৩০ মে ২০১৯ বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে হামলার নামে একটি নাটকীয় ঘটনার জম্ম হয়। যা সাতক্ষীরার ইতিহাসে একটি বিরল দৃষ্টান্ত।
মুনসুর রহমান আরও বলেন, গঠনতন্ত্র থাকলেও ইতিপূর্বে গঠতন্ত্র অনুযায়ী প্রেসক্লাব পরিচালিত হয় না। যদি হতো তাহলে একের অধিক গ্রুপিং কোন্দলে বিভক্ত হয়ে পড়তো না সাংবাদিকরা। ওই বিভেদ-বিভাজন প্রক্রিয়ায় খলনায়ক রয়েছে শহরের কয়েকজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স নামে সমধিক পরিচিত ব্যক্তি। যাদের কথা সকল পর্যায়ের সংবাদকর্মীরা জানলেও তাদের প্রভাব আর প্রতিপত্তির জন্য কেউ কিছু বলার সাহস রাখে না। এমনকি তাদের জন্য প্রেসক্লাবে বছরের পর বছর সদস্য হতে পারছে না জেলার কর্মরত সংবাদকর্মীরা। কিন্তু কয়েকমাস পূর্বে পুলিশ সুপারের নেতৃত্বাধীন কমিটির সুপারিশে ৭৫ থেকে বেড়ে  সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে ১০৪ জন সদস্য হতে পেরেছে। যাদের মধ্যে অধিকাংশই মাধ্যমিক শ্রেণির গন্ডি পার করতে পারেনি।
মুনসুর বলেন, ১৯৬৯ সালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠার পর নানাবিধ সংকট, বিভক্তি ও দ্বন্দ্ব বিরোধের মধ্যে চলমান থাকে। সেই সময়ে প্রতিষ্ঠানের কোন গঠনতন্ত্র ছিল না। তাই গত ১৯৯৮ সালের ৮ ডিসেম্বর পূর্বতন প্রেসক্লাবের সভাপতি অনুমোদিত গঠনতন্ত্র প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিন ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়। নবগঠিত কমিটির ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের একটি গঠনতন্ত্র প্রণয়নের। কারণ সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব গঠিত হওয়ার পর থেকে তার কোন ধারাবাহিক গণতান্ত্রিক কার্যক্রম ছিল না। সেই সময়ে আহবায়ক কমিটি বিভিন্ন প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র সংগ্রহপূর্বক গত ১৯৯৯ সালের ২৩ জানুয়ারি একটি খসড়া গঠনতন্ত্র প্রনয়ন এবং তা সকল সাংবাদিকদের মধ্যে বিতরণ শুরু করেন। একই বছরের ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে উক্ত খসড়া গঠনতন্ত্র সম্পর্কে সংশোধন, বিয়োজন, পরিবর্তন, পরিবর্ধনসহ মতামত আহবান করেন। সেই প্রেক্ষিতে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ৯৯ খসড়া গঠনতন্ত্র সংক্রান্ত বিষয়ে একটি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপরে এক অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতির কারণে সাংবাদিকরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন। পরবর্তিতে গত ৫ মে ১৯৯৯ পুনরায় আবুল কালাম আজাদ ও কল্যাণ ব্যানার্জির আহবানে অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের এক বিশেষ সভায় দ্বিধাবিভক্ত সাংবাদিকগণ একত্রিত হন। এই সভায় ৬ জনের একটি সভাপতিমন্ডলী গঠন করা হয়। উক্ত সভাপতিমন্ডলী কর্তৃক বিশেষ সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রস্তাবিত গঠনতন্ত্রের ভিক্তিতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্যভুক্তির জন্য সাংবাদিকদের নিকট থেকে দরখস্ত আহবান করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৪৮ জন সাংবাদিক সদস্যভুক্তির জন্য দরখস্ত দাখিল করেছিল। সভাপতিমন্ডলী দরখস্ত যাচাই-বাছাইপূর্বক প্রস্তাবিত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৩২ জনকে সাধারণ সদস্য ও ১৬ জনকে সহযোগী সদস্য প্রদান করে তাদেরকে নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠন করা হয়। গত ১০ জুন ১৯৯৯ সালে আবু আহমেদ এর সভাপতিত্বে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নবগঠিত সাধারণ পরিষদের প্রথম সভায় প্রস্তাবিত গঠনতন্ত্র পাঠ এর মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদনের সাথে সাথে খাতায় লিপিবদ্ধ করা হয়। যার প্রতি পৃষ্ঠায় সকল সাধারণ সদস্যগণ স্বাক্ষর করে। পরবর্তীতে গঠনতন্ত্র সংশোধনের জন্য ২০১২ সালের ০৯ সেপ্টেম্বর একটি সাধারণ সভা আহবান করে তৎকালীন কার্যনির্বাহী কমিটি। সেখানে কিছু ধারা সংশোধন করলেও গঠনতন্ত্রে সাংবাদিকদের কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার কথা উল্লেখ করা হয়নি। সেজন্য সাংবাদিকদের উন্নততর ভাবনার প্রেক্ষিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণপূর্বক গঠনতন্ত্র সংশোধন করা জরুরী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ