1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সুইডেনের আদলে ২০০ কি.মি. বৈদ্যুতিক সড়ক বানাচ্ছে ভারত শিগগির বিয়ে করতে যাচ্ছেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা! ই-কমার্স বন্ধ না করে প্রতারণা ঠেকাতে আইন করার তাগিদ ৪ মন্ত্রীর নরসিংদী পলাশে এক নারীর স্বর্ণ চুরি করতে গিয়ে ৭ নারী গ্রেফতার নলতায় জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করলেন তুফান গড়ইখালীর নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম কেরু’র নির্বাচন পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় কুলিয়ায় কয়েক হাজার নেতাকর্মী নিয়ে আছাদুল হকের মোটর শোভাযাত্রা দেবহাটার ওসি-সেকেন্ড অফিসারকে বদলী, ভারপ্রাপ্ত ওসি ফরিদ আহমেদ খলিশাখালি সহস্রাধিক বিঘা জমি দখলের ঘটনায় সরেজমিনে মামলার তদন্তে পিবিআই সাতক্ষীরায় তথ্য অধিকারের ওপর সচেতনতামূলক প্রচারণা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

অবশেষে বাড়ি ফিরল বিশ্বের সবচেয়ে ‌‌‌‌‌‌‘ক্ষুদে’ শিশু

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  জন্মের পরই বিশ্বের সবচেয়ে ‌‌‌‌‌‌‘ক্ষুদে’ শিশুর তকমা পেয়েছিল সে। কিন্তু আর সব শিশুর মতো জন্মের কয়েকদিন পরই বাড়ি ফিরতে পারেনি। এক বছরের বেশি সময় সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালের ইন্টেন্সিভ কেয়ারে চিকিৎসা নেয়ার পর অবশেষে বাড়ি ফিরতে পেরেছে কুয়েক ইউ জুয়ান। জন্মের সময় তার ওজন ছিল মাত্র ২১২ গ্রাম অর্থাৎ একটা আপেলের ওজনের সমান। বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জন্মের সময় শিশুটি ছিল মাত্র ২৪ সেন্টিমিটার। ধারণা করা হচ্ছে, জন্মের সময় শিশুদের ওজন এবং দৈর্ঘ্যের উচ্চতায় এখন পর্যন্ত সেই সবচেয়ে ছোট শিশু। সাধারণত মায়ের গর্ভে ৪০ সপ্তাহ থাকার পর একটি শিশুর জন্ম হলেও জুয়ানের জন্ম মাত্র ২৫ সপ্তাহে। এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদে শিশুর তকমা পেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি শিশু। ইউনিভার্সিটি অব লোয়ার টিনিয়েস্ট বেবিস রেজিস্ট্রি অনুযায়ী, ২০১৮ সালে জন্ম নেয়া ওই শিশুটির ওজন ছিল ২৪৫ গ্রাম।

জুয়ানের জন্মের আগে তার মায়ের প্রি-একল্যাম্পসিয়া ধরা পড়ে। উচ্চ রক্তচাপের কারণে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রতঙ্গের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা এবং মা ও শিশুর মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে সিজারের মাধ্যমে জুয়ানের জন্ম হয়। তবে জন্মের সময় তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও এখন বেশ ভালোই আছে জুয়ান। এখন তার ওজন ৬ কেজির বেশি (১৪ পাউন্ড)। সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটাল (এনইউএইচ) যেখানে শিশুটি চিকিৎসাধীন ছিল সেখানকার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুটির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম। তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে সে এখন দিব্যি সুস্থ আছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রতিকূলতা এবং জন্মের সময় স্বাস্থ্যগত জটিলতার পরেও তার বেঁচে থাকার উদ্যম এবং সুস্বাস্থ্য এখন তার আশেপাশের মানুষদের অনুপ্রাণিত করছে। করোনা মহামারির এই সময়ে তাকে বিস্ময়কর শিশু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অস্থিরতার মধ্যেও আশার আলো জাগিয়েছে সে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নানা ধরনের যন্ত্রপাতি এবং বিভিন্ন চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ রাখার চেষ্টা করা হয়। তবে এখনও তার ফুসফুসে কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার অবস্থার আরও উন্নতি ঘটবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ