1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বজুড়ে ডেল্টার ঢেউ: বিভিন্ন দেশে রেকর্ড সংক্রমণ প্রশংসা পাচ্ছে অপূর্ব-মেহজাবিনের ‘অন্য এক প্রেম’ কিছু বিদেশি গণমাধ্যম দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে ভুল সংবাদ দেয় আশাশুনিতে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য সাজাপ্রাপ্ত আসামী দেলোয়ার গ্রেপ্তার দেবহাটায় নেট-পাটা অপসারণে ইউএনও’র অভিযান, জরিমানা শার্শায় এক সন্তানের জননীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ সাতক্ষীরা সামেক হাসপাতালে ইন্টার্ন ডাক্তারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমপি রবি ভারী বর্ষণে প্লাবিত জনগণের পাশে সোহেল বাল্য বিবাহ; ছেলে, বর-কনের অভিভাবক ও পুরোহিতকে জরিমানা কপিলমুনিতে জনসম্মুখে টানানো হলো ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীদের নামের তালিকা

সাতক্ষীরায় বাবার জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার বহনকারী ছেলেকে আটককারী সেই এএসআই ক্লোজড

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বাবার জন্য মোটরসাইকেল যোগে খালি সিলিন্ডার নিয়ে অক্সিজেন কিনতে যাওয়ার সময় পথে ছেলেকে আটক করে পুলিশ। আটকে রাখা হয় দীর্ঘ দুই ঘণ্টা। পরে ২০০ টাকা দিলে ছেলে ওলিউল ইসলামকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। ততক্ষণে অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসকষ্টে মারা যান বাবা রজব আলী।

এ ঘটনায় শুরু হয় তোলপাড়। প্রাথমিক তদন্তে মেলে ঘটনার সত্যতা। আজ শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত এএসআই সুভাস বিশ্বাসকে ক্লোজ করে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি স্বীকার করেছেন এএসআই সুভাষ বিশ্বাস।

জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈচনা গ্রামের রজব আলির করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। একপর্যায়ে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। রজব আলির ছেলে ওলিউল ইসলাম জানান,কয়েক দিন ধরে করোনা উপসর্গসহ অন্যান্য রোগের চিকিৎসা বাড়িতে নিচ্ছিলেন তাঁর বাবা। বাড়িতেই সিলিন্ডার থেকে তাঁর বাবাকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল। পরে এটি খালি হয়ে যায়। তিনি বৃহস্পতিবার সকালে মোটরসাইকেলে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকায় খালি সিলিন্ডার নিয়ে অক্সিজেন আনতে যাচ্ছিলেন। পথে ইটাগাছা হাটের মোড়ে পৌঁছালে তাঁকে থামান ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই সুভাষ চন্দ্র সরদার।

রজব আলীর ছেলে ওলিউল ইসলাম আরও বলেন, মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চেয়ে সুভাষ চন্দ্র তাঁর কাছ থেকে চাবি নিয়ে নেন। তিনি তখন তাঁকে তাঁর বাবা অসুস্থ, অক্সিজেন নিতে তাড়াহুড়া করে সাতক্ষীরা এসেছেন এবং এ কারণে কাগজ আনতে ভুলে গেছেন বলে জানান। তারপরও মোটরসাইকেল না ছেড়ে নানাভাবে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে এএসআই সুভাষ চন্দ্র ৫০০ টাকা দিলে মোটরসাইকেল ছেড়ে দেবেন বলে জানান। দাবি করা টাকা দিতে না পারায় তাঁকে প্রায় দেড় ঘণ্টা  সেখানে আটকে রাখা হয়। পরে একজনের মধ্যস্থতায় ২০০ টাকার বিনিময়ে মোটরসাইকেলটি ছেড়ে দেওয়া হয়। তারপর তিনি বাড়ি ফিরে অক্সিজেন দেওয়ার আগেই তার বাবা মারা যান।

তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘যদি সময় মতো অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে বাড়িতে যেতে পারতাম তাহলে হয়তো পিতাকে বাঁচাতে পারতাম।’ তিনি এই অমানবিক ঘটনার বিচার দাবি করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ