1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০১:৩২ অপরাহ্ন

রিপ্রেজেন্টেটিভদের ছবি তোলার অত্যাচারে অতিষ্ঠ রোগীর স্বজনরা

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা মেডিকেলে কলেজে ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভদের প্রেসক্রিপশনের ছবি তুলতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ (সামেক) হাসপাতালের করোনা ভাইরাস ইউনিট ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) ওয়ার্ডের বাইরে বিরাজ করছে থমথমে নিরবতা। প্রায়শই শোনা যাচ্ছে বুকফাটা কান্নার শব্দ। ঠিক তখনই ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভদের ছবি তোলার অত্যাচারে অতিষ্ঠ রোগীর স্বজনরা।

এমন দৃশ্য যখন ভয়াবহ এক পরিস্থিতির বার্তা দিচ্ছে- ঠিক তখনই স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া অনেক রোগীই আইসোলেশনে না থেকে বুক ফুঁলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। স্বাস্থ্যবিধি ও চলাফেরার নিষেধাজ্ঞা ভেঙে রোগীরা আইসোলেশন সেন্টার থেকে বেরিয়ে হাসপাতালে ও হাসপাতালের বাইরে ঘুরতে থাকাই করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ফলে বিষয়টি নিয়ে মেডিকেল কলেজের আশপাশের এলাকাজুড়ে দেখা দিয়েছে অজানা আতঙ্ক। প্রশ্ন উঠেছে হাসপাতালের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে।

সোমবার (৫ জুলাই) সরেজমিনে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবস্থানকালে বহির্বিভাগ থেকে জরুরি বিভাগ, হাসপাতালে সামনের খাবারের দোকান থেকে চায়ের দোকান, ফার্মেসি থেকে আবার হাসপাতালে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে করোনা উপসর্গ ও করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অনেক রোগীকে। এছাড়া চিকিৎসাধীন রোগীদের চেয়ে রোগীর দালাল ও মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের প্রেসক্রিপশনের ছবি তুলতে সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গেছে হাসপাতালের অভ্যন্তরে।  কোনো স্বাস্থবিধির তোয়াক্কা না করেই সাতক্ষীরার একমাত্র করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে রোগীর চেয়ে রোগীর স্বজন, দালাল ও মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভরা চলাচল করায় তাদের মাধ্যমে করোনা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রকট বলে ধারণা করছেন অনেকেই।

এক রোগীর স্বজন জানান, ডাক্তার সাহেব আমাকে প্রেসক্রিপশন করে দিয়েছেন ঔষধ কেনার জন্য, আমি ডাক্তার সাহেবের রুম থেকে বের হতে না হতেই আমাকে ঘিরে ধরেছেন ৬-৭ জন ঔষধ কোম্পানির লোক। এক প্রেসক্রিপশনের ছবি তুলতে দিয়ে আমি নাজেহাল হয়ে পড়েছি। মনে হয় আমার গায়ের উপর হুমড়ি খেয়ে পড়লো।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. কুদরত-ই-খুদা বলেন, ‘এ বিষয়টি নিয়ে ইতিপূর্বেও আমি একাধিকবার অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ