1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন

মিডিয়া ভবনে হামলা : ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ তদন্তের দাবি

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৭ মে, ২০২১
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আল-জাজিরা ও এপি’র কার্যালয় থাকা বহুতল ভবন আল-জালা টাওয়ার গুঁড়িয়ে দেয়ায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ তদন্তের আবেদন জানিয়েছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ) এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সাংবাদিক ও তথ্য অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আরএসএফের মহাসচিব ক্রিস্টোফ ডেলোর বলেছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে মিডিয়া আউটলেটে হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল। এভাবে মিডিয়া আউটলেটগুলো ধ্বংস করে ইসরায়েলি বাহিনী কেবল সংবাদ কার্যক্রমের অগ্রহণযোগ্য ক্ষতিই করছে না, তারা একটি জনসম্পৃক্ত সংঘাতের বিষয়ে মিডিয়া কাভারেজেও বাধা দিচ্ছে। আল-জালা টাওয়ারে হামলার পর একাধিক টুইটে আরএসএফ মহাসচিব বলেন, ভবনটি হামাস বা অন্য কোনও যোদ্ধা বাহিনী ঢাল হিসেবে ব্যবহার করলেও তা মিডিয়াকে সামরিক লক্ষ্যবস্তু বানানোর বৈধতা দেয় না। এটি পরিষ্কার যুদ্ধপরাধ।

তিনি বলেন, গাজায় গত ১১ মে থেকে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়ার ওপর বোমাবর্ষণের বিষয়ে আমরা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রসিকিউটর ফাতু বেনসৌদাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছি। আমরা এটিকে যুদ্ধাপরাধ বলে মনে করছি। আরএসএফের মতো একই দাবি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও।

 রোববার এক টুইটে তারা বলেছে, আল-জালা ভবনে হামলা চালিয়ে আল-জাজিরা ও এপির কার্যালয় ধ্বংস করাকে অবশ্যই যুদ্ধাপরাধ হিসেবে তদন্ত করতে হবে। এই হামলা ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইসরায়েলের সম্মিলিত শাস্তির একটি ধরনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর আগে, গত শনিবার আকস্মিক হামলা চালিয়ে গাজার ১১তলা বিশিষ্ট আল-জালা ভবন গুঁড়িয়ে দেয় ইসরায়েল। ভবনটিতে আল-জাজিরা, এপিসহ কিছু মিডিয়ার কার্যালয় ছিল। ছিল কিছু আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টও। বিবিসির লাইভ ভিডিওতে দেখা যায়, ইসরায়েলি বিমান থেকে নিক্ষিপ্ত বোমায় মুহূর্তেই ভবনটি ধসে পড়ে। তখন ধ্বংসস্তূপ থেকে কালো ধোঁয়া উড়ছিল।

কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার তথ্যমতে, গাজায় গত এক সপ্তাহ ধরে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ৫৮ শিশুসহ অন্তত ১৯৮ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন ১ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ। এর মধ্যে শুধু রোববারই প্রাণ হারিয়েছেন ৪২ ফিলিস্তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ