1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ০১:৪৮ অপরাহ্ন

বাঁধ ভেঙে পানিবন্দী চার শতাধিক পরিবার

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

বিজয় মন্ডল : খোলপেটুয়া ও কপোতাক্ষ নদের প্রবল জোয়ারে সাতক্ষীরার তিনটি পয়েন্টের বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে অন্তত সাড়ে ৩০০ কাঁচা-পাকা ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের পশ্চিম দূর্গাবাটি ও আশাশুনি উপজেলা সদরের দয়ারঘাট এলাকাসহ মোট তিনটি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে।



মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে হঠাৎ নদীর প্রবল জোয়ারে এক থেকে দেড় ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধ ভেঙ্গে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। এঘ টনায় স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসন এবং এলাকার জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।



আশাশুনি উপজেলা সদরের ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মুকুল জানান, দুপুর ১২টার দিকে কপোতাক্ষ নদের প্রবল জোয়ারে সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর ৪ নন্বর পোল্ডারের আশাশুনি সদরের দয়ারঘাট, জেলেখালিসহ তিনটি পয়েন্ট ভেঙে যায়। এতে হু হু করে লোকালয়ে পানি ঢুকে দুটি গ্রামের বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে ৩০০ কাঁচা-পাকা ঘর বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ে।



প্লাবিত হয় বেশ কিছু ছোট-বড় পুকুর ও চিংড়ি ঘের। সংবাদ পেয়ে দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুসাইন, এসি ল্যান্ড শাহিন সুলতানা ও আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কবির এবং স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও রাবিব হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। জোয়ারের পানি নেমে গেলে জিও ব্যাগ ফেলে বাঁধটি মেরামত করা হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।



এদিকে শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী এলাকার মোস্তাফিজুর রহমান ও ইউপি সদস্য ভবতোষ কুমার মন্ডল জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সময় জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের পশ্চিম দূর্গাবাটি ও দাঁতনেখালি ঈদগাহের সামনে আজিজ ম্যানেজারের বাড়ি এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর প্রায় ২০০ ফুট এলাকা ভেঙ্গে গিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে।



পরে তাৎক্ষণিক স্থানীয় বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও শাহনাজ পারভীন এবং এসডিইও রাশেদ খান সহ স্থানীয় গ্রামবাসীরা ভেঙ্গে যাওয়া বেড়িবাঁধে জিও ব্যাগ ফেলে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করেন। এলাকাবাসী জানান, কলবাড়ী থেকে নীলডুমুর এবং নোয়াবেকি পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ চরম ঝুকিতে রয়েছে। বর্ষা মৌসুমের আগে এই বাঁধ সংস্কার না হলে বাঁধ ভেঙ্গে আরও বড় ধরনের ক্ষয়-ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ