1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তালায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ও জনদূর্ভোগ লাঘবে অবৈধ নেট-পাটা অপসারণ বিশিষ্ট চাউল ব্যবসায়ী বাবুরালী সানার স্বরনে মাঝিয়াড়া ব্যবসায়ীদের শোক প্রকাশ সাংবাদিক আব্দুল আজিজ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির স্মারকলিপি প্রদান নরসিংদীতে রিক্সাচালকের করুণ কাহিনী শুনে আর্থিক অনুদান প্রদান দেবহাটায় মোবাইল কোর্টের অভিযানে পুশকৃত বাগদা চিংড়ি জব্দ, জরিমানা আদায় শার্শায় প্রধানমন্ত্রী কতৃক ঘোষিত প্রণোদনা এসএমই ঋণ বিতরণ বিশ্বজুড়ে ডেল্টার ঢেউ: বিভিন্ন দেশে রেকর্ড সংক্রমণ প্রশংসা পাচ্ছে অপূর্ব-মেহজাবিনের ‘অন্য এক প্রেম’ কিছু বিদেশি গণমাধ্যম দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে ভুল সংবাদ দেয়

আশাশুনির প্রতাপনগর খেয়াঘাটের বেহাল দশা

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২১ মার্চ, ২০২১
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

আশাশুনি প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের ঝাপালিয়া মাদারবাড়ীয়া খেয়াঘাট সংস্কারের অভাবে চরম দুরাবস্থায় রয়েছে। অর্ধশত বছরের পুরাতন খেয়াঘাটের প্লাটফরম না থাকায় খেয়া পারাপারের যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।



দীর্ঘ কয়েক যুগ আগে থেকে এই খেয়াঘাটের প্লাট ফরম না থাকায় খেয়া পারের যাত্রীরা দুরাবস্থায় নদী পারাপারে বাধ্য হচ্ছে। প্রতাপনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ, পাশ্ববর্তী শ্যামনগর উপজেলার নওয়াবেকী, কাশিমাড়ী, জয়নগর গ্রামের মানুষ শ্যামনগর উপজেলায় এবং সাতক্ষীরা জেলা শহরে যাতায়াতে এই খেয়া পারাপার হয়ে থাকে। শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন অ লের মানুষ একই ভাবে প্রতাপনগর ইউনিয়নে আত্মীয়তা বজায় রাখতে ও ব্যবসায়ীক কাজে এই ঝাপালিয়া খেয়াঘাট ব্যবহার করে থাকে।



বিশেষ করে প্রতাপনগর ইউনিয়নের মৎস্য ব্যবসায়ীরা তাদের মাছ বিক্রি করতে নওয়াবেঁকী বাজারে মৎস্য আড়তে যেতে এই খেয়া পার হয়ে থাকেন। গুরুত্ব অনুভব করে খেয়াঘাটটি লক্ষ লক্ষ টাকায় ডাক/ইজারা হয়ে থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে খেয়াঘাটের শ্যামনগর পাড়-কাশিমাড়ী ঝাপালি পারে ঘাটটি পাকা এবং উন্নত করা হলেও আশাশুনি প্রতাপনগর ইউনিয়নের মাদারবাড়ীয়া পারের ঘাট পুনঃ নির্মান বা সংস্কার কাজ করা হয়নি।



ফলে হাটু কাদা মাড়িয়ে কষ্টকর পরিস্থিতি বুকে ধারণ করে খেয়া পারাপার হয়ে থাকে। ফলে দিনে দিনে বেহাল দশায় বিরক্ত যাত্রীরা এখন দিনে দিনে অন্য পথের যাত্রী হতে শুরু করেছে। গত বছরের করোনাকালীন লকডাউনে প্রায় তিন মাস খেয়াঘাট বন্ধ ছিল। তারপর ২০ মে আম্ফান ঘূর্ণিঝড়ে প্রতাপনগর ইউনিয়ন দীর্ঘ প্রায় দশ মাস নিমজ্জিত ছিল।



তখন যাত্রীশূন্য হয়ে পড়েছিল এই খেয়াঘাট। উল্লেখ্য, বিগত দিনে খেয়া পারাপারে কাদাপানি মেখে যাত্রীদের উঠানামার হাত থেকে মুক্তি দিতে ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেনের সার্বিক সহযোগিতায় কিছুটা পথ ইটের সোলিং করা হয়েছিল।



কিন্তু ২০ মে জ্বলোচ্ছাস ও আম্ফানের তান্ডবে রাস্তার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ফলে পুরো এলাকা এখন চলাচল অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। এব্যাপারে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। পাউবো’র এসও আলমগীর কবির জানান, গুরুত্বপূর্ণ খেয়াঘাটে প্লাটফরম দরকার। বিষয়টি আমি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ