1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন

ট্রাম্প সবাইকে মারা যাওয়ার জন্য ফেলে রেখে গিয়েছিলেন

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় অভিশংসনের বিচারে ডেমোক্র্যাটরা বলেছেন, ক্যাপিটল ভবনে সহিংস হামলার দিন ট্রাম্প তাদেরকে মারা যাওয়ার জন্য ফেলে রেখে গিয়েছিলেন। বিচারের কার্যক্রমে, ট্রাম্পের নিজের ব্যবহার করা শব্দ ও টুইট তার বিরুদ্ধেই ব্যবহার করেছেন ডেমোক্র্যাকরা। বিতর্কে ট্রাম্পকে সহিংসতার নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। আবেগপ্রবন জবানবন্দতীতে অভিশংসন পরিচালনাকারীরা সহিংসতার চিত্রগুলো একসাথে জড়ো করেন। বিচারের দ্বিতীয় দিনে ক্যাপিটল ভবনে ট্রাম্প সমর্থকদের হামলার কিছু নতুন ভিডিও দেখানো হয়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, হামলাকারীরা মার্কিন আইনপ্রণেতাদের কতটা কাছাকাছি চলে এসেছিলেন। ভিডিওতে পুলিশদের দেখা যায় তারা ক্যাপিটলের রাজনৈতিক নেতাদের কীভাবে নিরাপদ স্থানে নিতে সহায়তা করছে। কখনো কখনো এটি ঘটেছে ভাংচুরকারীদের থেকে কয়েক ফুট দূরত্বের মধ্যে। ভিডিওর উত্তেজিত অডিওতে শোনা যায়, নিরাপত্তা কর্মকর্তারা সাহায্য চাইছেন এবং হামলাকারীরা কীভাবে ব্যাট ও টিয়ার গ্যাস তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে তা বলতে শোনা যায়। প্রমাণ উপস্থাপন করে কংগ্রেসওম্যান স্টেসি প্ল্যাসকেট বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ইচ্ছাকৃতভাবে সহিংসতায় অনুপ্রেরণা দিয়েছেন এবং তার নিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদেরকে লক্ষ্যবস্তুতে রেখেছিলেন। কংগ্রেসম্যান জোয়াকিন ক্যাস্ট্রো বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই ক্যাপিটলে সবাইকে মারা যাওয়ার জন্য ফেলে রেখে গিয়েছিলেন।’ ট্রাম্পের আইনজীবীরা এ সপ্তাহের শেষে তাদের পক্ষ থেকে প্রমাণ হাজির করবেন। তবে এই বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অসাংবিধানিক এমন দাবি তারা ইতোমধ্যেই করেছেন। একশো আসন বিশিষ্ট সিনেটে ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করতে দুই তৃতীয়াংশ ভোট লাগবে। তবে রিপাবলিকান সিনেটরদের অধিকাংশই ট্রাম্পের প্রতি অনুগত আছেন এমনটাই দেখা যাচ্ছে। অভিযুক্ত হলে আবারও অফিস গ্রহণ করা থেকে নিষিদ্ধ হবেন ট্রাম্প। গত ছয় জানুয়ারি ট্রাম্পের হাজার হাজার সমর্থক মার্কিন পার্লামেন্ট ভবন ইউএস ক্যাপিটলের সামনে জড়ো হয়ে সমাবেশ করে। সমাবেশে তারা ট্রাম্পের সঙ্গে সুর মিলিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি হয়েছে বলে দাবি করে এবং বাইডেনের বিজয়কে অস্বীকার করে। এরপর তারা ক্যাপিটল ভবনের ভেতরে নজিরবিহীন হামলা চালায়। এই সহিংসতায় এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ পাঁচজন নিহত হয়েছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ