1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শায় নিখোঁজের এক দিন পর বেতনা নদী থেকে নাসির মোল্লার মরদেহ উদ্ধার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগাঁথা ৬ ডিসেম্বর: ঐতিহাসিক দেবহাটা মুক্ত দিবস আছাদুল হককে জেলা থ্রি-হুইলার মালিক সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা দেবহাটায় ভূমিহীন কৃষক নেতা সাইফুল্লাহ লস্করের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত বীর মুক্তিযোদ্ধা এমপি রবিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান আজমল উদ্দীন নরসিংদী রায়পুরায় ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেলো ইজিবাইক, চালক নিহত পাইকগাছায় সামাজিক জবাবদিহিতা মূল স্রোতধারাকরণ বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় অটো রাইসমিলে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড; কোটি টাকার ক্ষতি সদর উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনি’র ৮৩তম জন্মবার্ষিকী পালন সাতক্ষীরায় আল-আরাফাহ্ধসঢ়; ইসলামী ব্যাংক লি: এর উদ্যোগে মানি লন্ডারিং এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ণ প্রতিরোধ বিষয়ক দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালা

কালিগঞ্জে সম্পত্তি জবর দখল করা ও জীবননাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৮৯ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে সম্পত্তি জবর দখল ও জীবননাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সন্ধায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন নলতা শিবপুর গ্রামের হরেন চন্দ্র দাশের পুত্র গোপাল চন্দ্র দাশ। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার পিতা হরেন চন্দ্র দাশ ও কাকা সুনিল চন্দ্র দাশ ও অনিল চন্দ্র দাশ। পৈত্রিক সূত্রে ৬৫৫ দাগ যার খতিয়ান নং-১০১৮, মৌজা-নলতা, ১২ শতক জমির মালিক এবং আমার বড় কাকা কেনারাম চন্দ্র দাশ একই খতিয়ান, দাগ, ও একই মৌজায় ১৫ শতক জমি একই গ্রামের লিচু বালা ঘোষের নিকট থেকে ১৯৮১ সালে কোবালা দলিলের মাধ্যমে খরিদ করে। ৬৫৫ দাগের ১২ শতক জমি লিচু বালা ঘোষ ১৯৮১ সালে নগেন্দ্র চন্দ্র দাশের নিকট বিক্রয় করেন। উক্ত জমি নগেন্দ্র চন্দ্র দাশ কালিপদ দাশের কাছে ১৯৮৫ সালে বিক্রয় করেন। উক্ত ৬৫৫ দাগের ১২ শতক জমি ১৯৮৫ সাল থেকে অদ্যাবধি কালিপদ দাশের সন্তানাদি ভোগ দখল করে আছে। কিন্তু বর্তমানে উক্ত ৬৫৫ দাগের ১২ শতক জমি জোরপূর্বক নগেন্দ্র চন্দ্র দাশের ৪ পুত্র অনিল চন্দ্র দাশ, উত্তম চন্দ্র দাশ, ধনু চন্দ্র দাশ ও মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র দাশ এবং নগেন্দ্র চন্দ্র দাশের ভাই গৌর চন্দ্র দাশ এর পুত্রদ্বয় দুলাল চন্দ্র দাশ ও প্রদীশ চন্দ্র দাশ জোরপূর্বক সম্পূর্ণ ১২ শতক জমি দখল করে নিয়েছে। উক্ত ৬৫৫ দাগের ১৫ শতক জমি লিচু বালা ঘোষের নিকট থেকে ১৯৮১ সালে কেনারাম চন্দ্র দাসের নিকট বিক্রয় করেন। তার মধ্যে ৩ শতক জমি নগেন্দ্র চন্দ্র দাশের ৪ পুত্র ও গৌর চন্দ্র দাশের ২ পুত্র জোরপূর্বক জবর দখল করে নিয়েছে। সেই সময় থেকে অদ্যাবধি উক্ত জমিগুলোতে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। সেই সময় থেকে আমি ও আমরা কোন উপায় না পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম পাড় এর শরণাপন্ন হই। তখন তিনি উভয় পক্ষকে কাগজপত্র নিয়ে পরিষদে হাজির হতে বলেন। কিন্তু বিবাদী পক্ষদ্বয় চেয়ারম্যানের নিকট থেকে ১২/১৫ বার বিভিন্ন টালবাহানা দেখিয়ে কালক্ষেপণ করে এবং কোন প্রকার কাগজপত্র হাজির করতে পারেনি এবং তারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সামনেই আমাদের কয়েক দফা মারধর করতে উদ্যত হয়। এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি উক্ত জমিগুলি গত ৬ ফেব্রæয়ারি ২০২১ ইং তারিখে আমাদের দখল বুঝিয়ে দেন। উক্ত জমির বিষয় নিয়ে ৬নং নলতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুল ইসলাম নায্য বিচার করায় বিবাদী পক্ষদ্বয় চেয়াম্যানের নামে বিভিন্ন প্রকার মিথ্যা ও বায়োনাট খবর সাজিয়ে মানুষের সামনে উপস্থাপন করছে এবং চেয়ারম্যান কে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করা গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। চেয়ারম্যান জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়ার পর থেকে বিবাদীপক্ষদ্বয় এতোটাই সন্ত্রাসী ও হীন মনের অধিকারী যে, গতকাল বিবাদী পক্ষদ্বয় আমাদের অনেকবার মারধর করে এবং আমাদেরকে জীবননাশের হুমকি, বসত বাড়ীতে মাদক দ্রব্য ও অবৈধ অস্ত্র রেখে আমাদেরকে পুলিশ দ্বারা হয়রানি করবে বলে প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে। আমরা যাতে আমাদের বাবা কাকার পৈত্রিক সম্পত্তি রক্ষা, জমিতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস ও চাষাবাদ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতে পারি সে ব্যাপারে আপনাদের লেখনির মাধ্যমে বিবাদীপক্ষদ্বয়ের যাতে কঠোর শাস্তি পায়, সে জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ