1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তালায় ইজিবাইকে চাদর জড়িয়ে নিহত ১ কুলিয়ার আ.লীগ প্রার্থী আসাদুল ইসলামের সংবাদ সম্মেলন শার্শার বাগআঁচড়ায় নৌকা প্রার্থীর নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত স্তন ক্যান্সার শুধুমাত্র মহিলাদের হয় না পুরুষদেরও হতে পারে : ডাঃ মনোয়ার হোসেন জেলা মহিলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদকের মাতার মৃত্যুতে এমপি রবি’র গভীর শোক নৌকার নির্বাচনী অফিসে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে আগুন : মুক্তিযোদ্ধার কান্না শত বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ নৌকা প্রতীকে সমর্থন দিয়ে সরেগেলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাসির উদ্দিন কুলিয়ায় আছাদুল হকের অফিস ভাংচুর, কর্মীদের মারপিট ও গৃহবধূর শ্লীলতাহানি সর্বোচ্চ মহিলা করদাতা হিসেবে সম্মাননা পেলেন পাইকগাছার মহাসিনা শিরিন

দিনে ১০ লাখ টাকার রাজস্ব খাচ্ছে কুয়াশা

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

ন্যাশনাল ডেস্ক : ঘন কুয়াশার কারণে দেশের গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে প্রায় প্রতিদিন ব্যাহত হচ্ছে ফেরি চলাচল। ফলে যাত্রীবাহী যানবাহনগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা ও পণ্যবাহী ট্রাককে দিনের পর দিন নদী পারের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। এতে করে প্রতিদিন এক-তৃতীয়াংশ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখা ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন এ রুটে ছোট বড় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার যানবাহন নদী পারাপার হয়। কিন্তু কুয়াশার কারণে এখন পারাপার ব্যাহত হচ্ছে। গত এক সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিন কুয়াশায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকছে। এতে করে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন এ রুটে প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকা আয় হত। এখন সেখানে ২০ লাখ টাকা আয় হচ্ছে। এতে দিনে প্রায় ১০ লাখ টাকা আয় কমেছে বলে জানান তিনি।

এদিকে প্রায় ৫ কোটি টাকা খরচ করে ২০১৪ সালে এই নৌরুটে চলাচলকারী খানজাহান আলী, শাহ আলী, কেরামত আলী, ভাষা শহীদ বরকত ও কে-টাইপ ফেরি কপোতি, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন, বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর, শাহ আমানত ও শাহ পরান ফেরিতে ফগ অ্যান্ড সার্চ লাইট সংযোজন করা হয়। কিন্তু সংযোজিত লাইটগুলো কুয়াশায় কোনো কাজেই আসছে না।

jagonews24

অপরদিকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় নদী পারের অপেক্ষায় সিরিয়ালে আটকে থেকে চরম ভোগান্তি পোহান যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা। এ সময় খাবার ও টয়লেট সমস্যায় পড়েন তারা। এছাড়া রয়েছে নিরাপত্তাহীনতা ও শীতের তীব্রতা। জানা গেছে, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১ জেলার ছোট বড় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার যানবাহন ও লক্ষাধিক যাত্রী প্রতিদিন এ রুট দিয়ে যাতায়াত করে। কিন্তু শীত মৌসুমে কুয়াশায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় সিরিয়ালে আটকে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও চালকরা।

এছাড়া একই কারণে দিনের পর দিন সড়কে আটকে থাকে পণ্যবাহী ট্রাক। ফলে এখন প্রতিদিন এ রুটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। গত এক সপ্তাহে কুয়াশায় প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। সড়কে আটকে থাকা জীবন মিয়া, আব্দুল হাকিম, রবিউল ইসলামসহ একাধিক ট্রাকচালকরা জানান, আজ তিন দিন তারা নদী পারের অপেক্ষায় আটকে আছেন। প্রথমে তাদের গোয়ালন্দ মোড়ের সড়কে আটকে রাখা হয়। পরে সিরিয়াল নিয়ে আস্তে আস্তে ঘাট এলাকায় এলেও কুয়াশায় ফেরি বন্ধ থাকায় বসে আছেন। আবার সময়মতো মালামাল পরিবহন করতে না পেরে মালিকের কথা শুনছেন। বর্ষায় নদীভাঙন, শীতে কুয়াশাসহ নানা কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। ফলে সবসময় ভোগান্তিতে পড়েন তারা। তাই তাদের ভোগান্তি লাঘবে এরুটে বিকল্প কোনো ব্যবস্থার দাবি জানান তারা।

jagonews24

এছাড়া টার্মিনাল চার্জ দিয়েও তাদের থাকতে হয় ফাঁকা সড়কে। যেখানে জানমালের কোনো নিরাপত্তা নেই এবং নেই খাবার, টয়লেট ও গোসলের কোনো ব্যবস্থা। যে কারণে বাধ্য হয়ে মালামাল ভর্তি ট্রাক রেখে দূরে গিয়ে টয়লেট, গোসল ও খাবার সেরে আসতে হয়। এসব ভোগান্তি যেন কেউ দেখে না। আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, ঘন কুয়াশার কারণে সোমবার দিবাগত রাত ৩টা থেকে নৌ-দুর্ঘটনা এড়াতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। পরে মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে কুয়াশার ঘনত্ব কিছুটা কমে গেলে ফেরি চলাচলের প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু আবারও কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। পরে সকাল পৌনে ৮টার দিকে কুয়াশার ঘনত্ব কমে গেলে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু হয়। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যানবাহন পারাপারের জন্য ছোট-বড় ১৬টি ফেরি রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ