1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অসহায় মানুষের মাঝে ১ মাসের খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ সাতক্ষীরায় নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেনে মোহাম্মদ হুমায়ন কবির সদর উপজেলা চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাল সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশন পাইকগাছায় ২য় দিনে ৬ মামলায় জরিমানা; মটর সাইকেল জব্দ প্রাকৃতিক উৎস থেকে চিংড়ি পোনা আহরণ করায় ৩ জনকে জরিমানা পাইকগাছায় আ.লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত আ.লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন নলতায় আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দেবহাটায় দেড় হাজার বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা উধাও! সাতক্ষীরায় কঠোর লকডাউনের মধ্যেও সড়কে চাঁদাবাজির অভিযোগ

সাত্তার মোড়লের খামারে ৩৫টি হরিণ

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি : সুন্দরবন উপকূলীয় সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের নন্দকাটি গ্রামের গলঘশিয়া নদীর তীরে ব্যক্তি উদ্যোগে চিত্রা হরিণের খামার গড়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা আব্দুস সাত্তার মোড়ল। খামারটিতে এখন হরিণের সংখ্যা ৩৫টি। শখের বসেই খামারটি গড়েছেন এই নেতা। প্রতিদিন সেখানে হরিণ দেখতে ভিড় করেন বিভিন্ন এলাকার শত শত দর্শনার্থী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খামারটিতে বড় হরিণের সংখ্যা ২৯টি। শাবক (বাচ্চা) রয়েছে ছয়টি। ছাগলের মতো হরিণের খাবার দেন খামারটি দেখভালের দায়িত্বে থাকা কর্মীরা। খামার মালিক মোড়ল আব্দুস সাত্তার জাতীয় পার্টির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘২০০৪ সালে খুলনার এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পাঁচটি হরিণ নিয়ে লালন-পালন শুরু করি। শখের বসেই শুরু করেছিলাম। তবে এখন সেটি খামারে রূপান্তরিত হয়েছে। প্রতিদিন হাজারও মানুষ এখন খামারটি দেখতে আসেন।’

jagonews24

তিনি জানান, জেলায় এমন হরিণের খামার আর নেই। হরিণের খামার লাভজনক ব্যবসা। এর মাংসের চাহিদাও রয়েছে অনেক। শিক্ষিত বেকার যুবকরা চাকরির পেছনে না ছুটে হরিণের খামার করলে দেশের অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হবে।

‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জমান খান কামাল আমার কাছ থেকে ছয়টি হরিণ নিয়ে লালন-পালন করে এখন ১১টি হরিণের মালিক বনে গেছেন। ২০১৭ সাল পর্যন্ত আমার খামারের বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছিল। এরপর থেকে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় আমার খামারটির সনদপত্র নবায়ন নিয়ে টালবাহানা শুরু করে। হেয়প্রতিপন্ন করা হচ্ছে আমাকে। বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদফতর আইনি জটিলতা দেখিয়ে আমার প্রত্যয়ন বন্ধ করে রেখেছে’, বলেন খামার মালিক মোড়ল আব্দুস সাত্তার।

jagonews24

তিনি বলেন, ‘সাত্তার সাহেবের খামারটি দেখে উদ্যোগী হয়েছি খামার করতে। তবে খামার গড়ে তোলার আগেই আইনি জটিলতার কারণে পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে বসেছে। অল্প বিনিয়োগে অধিক লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে হরিণ পালনে।’ ‘হরিণের খামার দ্রুত বর্ধনশীল। প্রতি তিন বছরে একটি মায়া হরিণ দুটি বাচ্চা দেয়। এদের সাধারণ ছাগলের মতো খাবার দিতে হয়। এদের রোগবালাইও নেই।’ সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল বলেন, আইনি জটিলতা না থাকলে খামার গড়ে তোলার সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে। খুলনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ওয়াইল্ড লাইভ বিভাগ) নির্মল কুমার পাল জানান, আব্দুস সাত্তার মোড়লের খামারটি আকাশপথে ২০ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে। যে কারণে খামারটির লাইসেন্স নবায়ন হচ্ছে না। তিনি বলেন, হরিণের খামারের লাইসেন্স পেতে হলে অবশ্যই খামারটি আকাশপথে ৩০ কিলোমিটার দূরে হতে হবে। এর বাইরে লাইসেন্স দেয়ার আইনি কোনো সুযোগ নেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ