1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অসহায় মানুষের মাঝে ১ মাসের খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ সাতক্ষীরায় নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেনে মোহাম্মদ হুমায়ন কবির সদর উপজেলা চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাল সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশন পাইকগাছায় ২য় দিনে ৬ মামলায় জরিমানা; মটর সাইকেল জব্দ প্রাকৃতিক উৎস থেকে চিংড়ি পোনা আহরণ করায় ৩ জনকে জরিমানা পাইকগাছায় আ.লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত আ.লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন নলতায় আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দেবহাটায় দেড় হাজার বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা উধাও! সাতক্ষীরায় কঠোর লকডাউনের মধ্যেও সড়কে চাঁদাবাজির অভিযোগ

এমসি কলেজে ধর্ষণ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ২৭ জানুয়ারি

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী তারিখ বুধবার (২৭ জানুয়ারি) নির্ধারণ করা হয়েছে।  রোববার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেট বিভাগীয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হক এ আদেশ দেন। রোববার মামলার শুনানিকালে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শহীদুজ্জামান চৌধুরী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও চাঁদাবাজির মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ একসঙ্গে গ্রহণের আবেদন জানালে আদালত তা নাকচ করে দিয়ে বুধবার সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য্য করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের স্পেশাল পিপি রাশিদা সাঈদা খানম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এদিন আদালতে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান ও আরেক আসামি শাহ মাহবুবুর রহমান রনি জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন। ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমান ও শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি ছাড়াও মামলার অপর ছয় আসামি তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুমকে এদিন কঠোর নিরাপত্তায় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এর আগে ১৭ জানুয়ারি আলোচিত এই মামলার অভিযোগ গঠন করে ২৪ জানুয়ারি প্রথম সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন আদালত। ৩ ডিসেম্বর সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আবুল কাশেমের আদালতে এ মামলায় আট ছাত্রলীগকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। এতে সাইফুর রহমানকে প্রধান করে ছয়জনের বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণে জড়িত থাকা এবং অপর দুইজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে ১৭ জানুয়ারি সকাল ১১টায় কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে মামলার পুলিশ এজাহারভুক্ত মামলার আট আসামিকে আদালতে হাজির করলে সকল আসামির উপস্থিতেই মামলার অভিযোগ গঠন করেন আদালত। অভিযোগপত্রে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম রাজন মিয়া, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান মাসুমকে আসামি করা হয়। পরে ৩ জানুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে চাঞ্চল্যকর এই মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ ছিলো। এদিন বাদীর পক্ষে আদালতের কাছে সময় প্রার্থনা করা হয়। প্রসঙ্গত, ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রবাসে স্বামীকে আটকে রেখে নববধুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার রাতেই নির্যাতিতার স্বামী বাদী হয়ে নগরের শাহপরান থানায় ছয়য়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে স্বামীকে নিয়ে শাহপরান মাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন নির্যাতনের শিকার তরুণী (২৫)। ফেরার সময় তারা গাড়ি থামিয়েছিলেন নগরের টিলাগড় এলাকার এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে। ওইসময় প্রাইভেটকারটি ঘিরে ধরে কয়েকজন তরুণ। প্রাইভেটকারসহ ওই দম্পতিকে তারা নিয়ে যায় বালুচর এলাকার এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের ভেতরে। সেখানে স্বামীর সামনেই গাড়ির ভেতর সংঘবদ্ধভাবে নারীকে ধর্ষণ করে ছয় তরুণ। পরে তাদের মারধর করে টাকাপয়সা ছিনিয়ে নেয় ধর্ষকরা। আটকে রাখে তাদের গাড়িও। ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিন দিনের মধ্যে ছয় আসামিসহ সন্দেহভাজন আরও দুইজনকে গ্রেফতার করে র‍্যাব ও পুলিশ। সন্দেহভাজন দুই গ্রেফতারকৃত হলেন- আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম রাজন মিয়া। গ্রেফতারের পর তাদের প্রত্যেককে পাঁচদিন করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ড শেষে সকলেই দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ