1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:২৮ অপরাহ্ন

শহীদ জিয়ার ৮৫তম জন্মদিন পালন করলো চট্টগ্রাম উত্তরজেলা বিএনপি    

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে
এম. মতিন, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৫তম জন্মদিন যথাযথ মর্যাদায় পালন করেছে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় নগরীর কাজির দেউরির নসিমন ভবনস্থ বিএনপির কার্যালয়ে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে ও শহীদুল ইসলাম চৌধুরী এ্যানি সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান।  বক্তব্য রাখেন- চট্টগ্রাম উত্তরজেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব গোলাম আকবর খন্দকার, বিএনপির নির্বাহী কমিটি সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী ও নির্বাহী কমিটি সদস্য মীর হেলাল। এসময় উপস্থিত বিএনপির নির্বাহী কমিটি সদস্য সাথী উদয় কুসুম বড়ুয়া, নুরুল আমিন, কর্নেল আজিমুল্লাহ বাহার চৌধুরী, শওকত আলী নূর, অধ্যাপক মোঃ মহসিন, অধ্যাপক ইউনুচ চৌধুরী, আজমত আলী বাহদুর, অধ্যাপক কুতুবউদ্দিন বাহার, আবু আহমেদ হাসনাত, জাফর চৌধুরী, সোলায়মান মঞ্জু প্রমুখ। উল্লেখ্য, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের এইদিনে বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার বাঘবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মনসুর রহমান ও মাতার নাম জাহানারা খাতুন। জিয়াউর রহমান বগুড়া ও কলকাতায় শৈশব ও কৈশোর অতিবাহিত করেন। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৫ সালে তিনি পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন। কমর্জীবনের অধিকারী শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের গণমানুষের কাছে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সমাদৃত। মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোসের্র প্রধান হিসেবে জিয়াউর রহমান এদেশের মানুষের কাছে প্রথম পরিচিত হলেও পরে তিনি বাংলাদেশের একজন বরেণ্য রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে রাজনৈতিক ঐকতানে নিয়ে আসা ও সুদৃঢ় অথৈর্নতিক ভিত্তির ওপর দঁাড় করানোর কারণে তিনি আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি আখ্যা পান। তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদশের্র ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠনের মধ্য দিয়ে দেশে উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতির সূচনা করেন। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের নতুন দশর্ন উপস্থাপন করেন জিয়াউর রহমান। তিনি ১৯ দফা কমর্সূচি দিয়ে দেশে উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতি এগিয়ে নিয়ে যান। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি দেশের মানুষের প্রিয় দল হিসেবে ‘৭৯ সালের দ্বিতীয় সংসদ, ‘৯১ সালের পঞ্চম সংসদ, ষষ্ঠ ও অষ্টম সংসদ নিবার্চনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অধীনে অনুষ্ঠিত ’৮৬ সালের তৃতীয় ও ‘৮৮ সালের চতুর্থ এবং মহাজোট সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালে দশম সংসদ নিবার্চন বিএনপি বর্জন করে। আর সপ্তম ও নবম সংসদ নিবার্চনে সংসদে বিরোধী দলে ছিল বিএনপি। সবের্শষ একাদশ সংসদ নিবার্চনে চরম ভরাডুবি হয় দলটির। বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ‘৭১ সালে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা যেমন এ দেশের মুক্তিকামী মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছিল, তেমনি ’৭৫ সালে দেশের স্বাধীনতা-সাবের্ভৗমত্ব যখন হুমকির মুখে, তখন সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আসীন হন। পরে দেশে বহু দলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। পররাষ্ট্রনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এনে জিয়াউর রহমান চীনসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন সম্পকের্র সূচনা করেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাতটি দেশকে নিয়ে ‘সার্ক গঠনের উদ্যোগ তারই। ওআইসিকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহর সংহতি জোরদার করার জন্য তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত বিএনপি সময়ের পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হয়ে বৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এ পযর্ন্ত পাঁচবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৮১ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সাকির্ট হাউসে মমাির্ন্তকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে সাহসী অবদানের জন্য স্বাধীনতার পর তৎকালীন সরকার তাকে বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ