1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেবহাটার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসারের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা বিনিময় সাতক্ষীরা পৌর আ.লীগ ৪নং ওয়ার্ড শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল ২০২১ অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে দেবহাটায় মানববন্ধন এমপি বাবু’র সাথে নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানদের শুভেচ্ছা বিনিময় পাইকগাছার ব্যবসায়ী বিধান এর এক সপ্তাহেও খোঁজ মেলেনি ১৫ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বন্দরে চলছে ধর্মঘট সাতক্ষীরায় ১০ ইউপিতে নৌকা, ১১টিতে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী পাইকগাছা পৌরসভা এসডিজি ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন পাইকগাছার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

শরীরে ‘অস্বাভাবিক বড় কিছু’ ঢোকানোয় মৃত্যু হয় আনুশকার

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২৫৭ বার পড়া হয়েছে

ন্যাশনাল ডেস্ক : রাজধানী ঢাকার ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল মাস্টার মাইন্ড’র ছাত্রী আনুশকার শরীরে বিকৃত যৌনাচারের আলামত মিলেছে। তার রেক্টাম ও যৌনাঙ্গে মিলেছে অস্বাভাবিক ‘ফরেন বডি’র আঘাত। পুরুষাঙ্গের চেয়ে বড় রকম কিছু ভিক্টিমের রেক্টামে পুশ করানোর ফলে তার যৌনাঙ্গ ও রেক্টাম ফেটে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয় এবং সে মারা যায়। ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ সংবাদমাধ্যমকে এমন তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বলেন, ‘স্বাভাবিক পেনিস (পুরুষ যৌনাঙ্গ) দ্বারা রেক্টাম ও যোনি ব্যবহার করলে এতটা ভয়াবহ পরিণতি হওয়ার কথা নয়। শরীরের নিম্নাঙ্গে বড় ধরনের কিছু একটা ব্যবহার করা হয়েছে। এক কথায় সেখানে বিকৃত যৌনাচার করা হয়েছে। আমি আমার পোস্টমর্টেম জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি, পেনিস দ্বারা এই ইনজুরি মোটেও সম্ভব না।’যোনিপথ ও পায়ুপথ থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে ভুক্তভোগীর মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করছেন  ডা. সোহেল মাহমুদ।তিনি বলেন, ‘প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় সে এক ধরনের শকে মারা গেছে। মানুষের মাত্রাতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা দেহ থেকে অতিরিক্ত তরল বের হয়ে গেলে হৃদপিণ্ড স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারায়। এ কারণে হৃদযন্ত্র শরীরে রক্ত সরবরাহ করতে পারে না, মানুষ মারা যেতে পারে।’গত শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদের আদালতে দিহান দায় স্বীকার করে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ওই দিনই নিহত ছাত্রীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিনের সঙ্গে ফারদিন ইফতেখার দিহানের দুইমাস আগে থেকে সম্পর্ক ছিল। এ বিষয়ে এখনো তদন্ত চলছে।প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সকালে বন্ধু দিহানের মোবাইল কল পেয়ে বাসা থেকে বের হন রাজধানীর ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিন। এরপর কিশোরীকে কলাবাগানের ডলফিন গলির নিজের বাসায় নিয়ে যান দিহান। ফাঁকা বাসায় তাকে ধর্ষণ করে দিহান। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে দিহানসহ চার বন্ধু তাকে ধানমন্ডির আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক ছাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ