1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেবহাটার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসারের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা বিনিময় সাতক্ষীরা পৌর আ.লীগ ৪নং ওয়ার্ড শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল ২০২১ অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে দেবহাটায় মানববন্ধন এমপি বাবু’র সাথে নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানদের শুভেচ্ছা বিনিময় পাইকগাছার ব্যবসায়ী বিধান এর এক সপ্তাহেও খোঁজ মেলেনি ১৫ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বন্দরে চলছে ধর্মঘট সাতক্ষীরায় ১০ ইউপিতে নৌকা, ১১টিতে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী পাইকগাছা পৌরসভা এসডিজি ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন পাইকগাছার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

বগুড়ার নন্দীগ্রামে করোনাকালে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় বেড়েছে শিশুশ্রম

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

জিল্লুর রয়েল, নন্দীগ্রাম প্রতিনিধি : বছরের প্রথমদিন নতুন বই হাতে পেলেও বিদ্যালয়ে যেতে পারছেনা কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। বিগত বছর গুলোতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া ও খেলা-ধুলা করে ব্যস্ত সময় কাটালেও করোনা মহামারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছে ওই শিশু-শিক্ষার্থীরা। অপরদিকে মরণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে বগুড়ার নন্দীগ্রামে হতদরিদ্র পরিবারগুলোর উপার্জন কমে যাওয়ায় তাদের ছোট ছোট সন্তানদের শ্রম বিক্রিতে ঠেলে দিচ্ছে। বিভিন্ন হাট-বাজার ও রাস্তাঘাটে চলাফেরার সময় চোখে পড়ছে বিদ্যালয়গামী শিশু-শিক্ষার্থীরা এখন অনেক ভারি ভারি কাজের সাথে জড়িয়ে পরছে। আবার এক শ্রেণীর সুযোগ সন্ধানী ব্যবসায়ীরা কম পারিশ্রমিক দিয়ে চায়ের দোকান, হোটেলে, ওয়াকসর্প, মুদির দোকান ও ফার্ণিচারসহ বিভিন্ন ভারি ভারি কাজে ওই সকল শিশু-শিক্ষার্থীদের নিয়োজিত করেছেন। প্রথম শ্রেণি হতে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের ঝরু সরকারের ছেলে জয় কুমার সরকার। বাবা ঝরু সরকার গরীব-অসহায় দিনমজুর। দুইভাই ও এক বোনের মধ্যে সে সবার বড়। বাবা-কোন রকমে দিন মজুরের কাজ-কাম করে সংসার চালায়। ছেলের স্কুল বন্ধ থাকায় পরিবারের স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে পরিবারের লোকজন তাকে পুরাতন কাপুড়ের দোকান ধরিয়ে দিয়েছে। জয় কুমার বলেন, আমি কালিকাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ি। অনেকদিন হলো স্কুল বন্ধ। সংসারের অভাব পুরন করতে দোকানদারি করছি। স্কুল খুললে আবার স্কুলে যাবো। ওমরপুর বাসস্ট্যন্ডের অটোভ্যান চালক চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র সাফি জানায়, আমরা খুবই গরীব। আমার বাবা অন্যের বাড়িতে কাজ করে। ভ্যানচালিয়ে ২০০-৩০০ টাকা পাই। আমার উপার্জনের টাকা বাবার হাতে তুলে দেই। এতে আমরা সবাইমিলে একটু ভালোভাবে খাওয়া পড়া করতে পাড়ি। উপজেলার বিভিন্ন হাটে হাটে লবন বিক্রি করে রাসেল আহমেদ। সে জানায়, আমি সতিশ চন্দ্র কারিগরি স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ি। বাড়িতে ৫জন সদস্য। আমার বাবা ঢাকায় কাজ করে। বাবার একার আয়ে সংসার চলে না। স্কুল বন্ধ তাই হাটে হাটে লবন বিক্রি করে পরিবারের জন্য উপার্জন করি। নন্দীগ্রাম সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আজম জানান, করোনাকালে কাজের ক্ষেত্র সংকোচিত হয়ে পড়ায় নি¤œ আয়ের মানুষের সংসারে টানাপড়ন লেগেছে। এজন্য সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে ওই পরিবারগুলো। তাই অভিভাবকরা তাদের স্কুল পড়–য়া সন্তানদের বাড়তি আয়ের আশায় শিশুশ্রমে নিয়োজিত করছে। এই সব শিশুদের বিভিন্ন পেশা থেকে ফিরিয়ে আনতে শিক্ষকসহ ও অভিভাবকদের বিশেষ ভুমিকা রাখতে হবে। নন্দীগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি নাজমুল হুদা জানান, করোনা মহামারিতে নিম্ন আয়ের মানুষগুলো চরম সমস্যায় রয়েছে। আবার দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারনে শিশুদের কাজে লাগানোর চিন্তাও করছে পরিবারগুলো। অভিভাবকদের সচেতন হওয়া উচিত। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আখতার জানান, করোনা মহামারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছে শিশু-শিক্ষার্থীরা। শিশুশ্রম বন্ধে শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মনিটরিং করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ