1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৮:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তালায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ও জনদূর্ভোগ লাঘবে অবৈধ নেট-পাটা অপসারণ বিশিষ্ট চাউল ব্যবসায়ী বাবুরালী সানার স্বরনে মাঝিয়াড়া ব্যবসায়ীদের শোক প্রকাশ সাংবাদিক আব্দুল আজিজ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির স্মারকলিপি প্রদান নরসিংদীতে রিক্সাচালকের করুণ কাহিনী শুনে আর্থিক অনুদান প্রদান দেবহাটায় মোবাইল কোর্টের অভিযানে পুশকৃত বাগদা চিংড়ি জব্দ, জরিমানা আদায় শার্শায় প্রধানমন্ত্রী কতৃক ঘোষিত প্রণোদনা এসএমই ঋণ বিতরণ বিশ্বজুড়ে ডেল্টার ঢেউ: বিভিন্ন দেশে রেকর্ড সংক্রমণ প্রশংসা পাচ্ছে অপূর্ব-মেহজাবিনের ‘অন্য এক প্রেম’ কিছু বিদেশি গণমাধ্যম দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে ভুল সংবাদ দেয়

দাতিনা’র পোনা উৎপাদনে লোনপানি কেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের সাফল্য; ইউএনও’র উৎপাদন কার্যক্রম পরিদর্শন

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

পাইকগাছা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ মৎস্য গবেষনা ইনস্টিটিউট লোনাপানি কেন্দ্র পাইকগাছার বিজ্ঞানীরা এবার দাতিনা’র পোনা উৎপাদনে সাফল্য পেয়েছেন। প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও কেন্দ্র প্রধান ড. মোঃ লতিফুল ইসলাম এর নেতৃতে গবেষক দল নতুন বছরের শুরুতেই দেশে প্রথমবারের মতো উপকূলীয় অঞ্চলের সুস্বাদু দাতিনা মাছের কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে পোনা উৎপাদনে সফলতা অর্জন করেছেন। এদিকে সাফল্যের এ খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে পোনা উৎপাদন কার্যক্রম পরিদর্শন করে কেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী। পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন। প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও কেন্দ্র প্রধান ড. মোঃ লতিফুল ইসলাম, ওসি তদন্ত আশরাফুল আলম, উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাশ, উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দেবাশীষ মন্ডল, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ও শাওন আহম্মেদ। উল্লেখ্য উপকূলীয় অঞ্চলে দাতিনার তিনটি প্রজাতি পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে এ মাছ ‘সাদা দাইতনা’ নামে বেশি পরিচিত। এর বৈজ্ঞানিক নাম চড়সধফধংুং যধংঃধ। এ মাছে কাঁটা কম এবং খেতে সুস্বাদু। গবেষণার জন্য এ মাছের পোনা প্রথম ২০১৭-১৮ অর্থবছরে শিবসা নদী থেকে সংগ্রহ করা হয়। কেন্দ্রের পুকুরে তা লালন-পালন করে আবদ্ধ জলাশয়ে প্রচলিত ভাসমান খাবারে অভ্যস্ত করার মাধ্যমে প্রজননক্ষম মাছে পরিণত করা হয়েছে। দাতিনা মাছের এ প্রজাতি দেখতে সাদা ও গড়ে ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের হয়; সর্বোচ্চ ১২০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে। সর্বোচ্চ প্রজনন মৌসুম হচ্ছে ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাস অর্থাৎ এ মাছ শীতকালে প্রজনন করে। দুই বছর বয়সে ২০০ থেকে ৪০০ গ্রাম ওজন হলেই এরা প্রজননক্ষম হয়। পরিপক্ক মাছ পুকুর থেকে সংগ্রহ করে গবেষণা কেন্দ্রের হ্যাচারিতে হরমোন প্রয়োগের মাধ্যমে এবার সর্বাধিক পোনা উৎপাদনে সফলতা অর্জিত হয়েছে। হ্যাচারিতে উৎপাদিত পোনাকে এখন রটিফার জাতীয় খাবার দেওয়া হচ্ছে। উৎপাদিত রেণু পোনার বয়স এখন ১৩ দিন। কেন্দ্রের গবেষকরা বলেন বিশ্বের দু-একটি দেশে দাতিনার খাদ্য ও খাদ্যাভাস এবং ডিম ধারণক্ষমতা নিয়ে গবেষণা পরিচালনা হয়েছে বলে তথ্য আছে। কিন্তু এর প্রজনন সম্পর্কিত কোনো গবেষণা তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই দাতিনা মাছের এ প্রজনন সফলতা বাংলাদেশের জন্য গৌরবের। এর আগে অত্র কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা কাঁকড়া, পারশে ও টেংরা মাছের পোনা উৎপাদন করতে সক্ষম হয়। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এরই মধ্যে ২৪ প্রজাতির দেশীয় ও বিলুপ্তপ্রায় মাছের প্রজননের মাধ্যমে পোনা উৎপাদনে সক্ষম হয়েছে। ইনস্টিটিউটে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে দেশীয় মাছের ‘লাইভ জিন ব্যাংক’।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ