1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ১১:১০ অপরাহ্ন

এভাবে কেন চূর্ণ হলো ক্যাপিটলের ‘নিরাপত্তা বলয়’?

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা ছাড়তে রাজি নন, একের পর এক উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ভক্তদের ক্ষেপিয়ে তুলছেন। ঘোষণা দিচ্ছেন, কোনওভাবেই হার মানা যাবে না, প্রয়োজনে রক্ত ঝরাতে হবে। তার ডাকে সাড়া দিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে জড়ো হচ্ছে উগ্র সমর্থকরা। সশস্ত্র মহড়ায় তারা জানিয়ে দিচ্ছে নিজেদের উপস্থিতি। যেকোনও মুহূর্তে শুরু হতে পারে রক্তাক্ত সহিংসতা।এত কিছুর পরেও কেন সেসব মোকাবিলার প্রস্তুতি ছিল ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা বাহিনীর? হামলা শুরুর সময় ক্যাপিটল পুলিশের অস্ত্রপাতি কোথায় ছিল? অন্য বাহিনীর সাহায্য কেন নেয়া হয়নি? গোয়েন্দারাই বা কেন আগেভাগে কিছু আন্দাজ করতে পারেননি- বুধবার মার্কিন পার্লামেন্ট ভবনে তাণ্ডবের পর এসব প্রশ্ন ঘুরপাঁক খাচ্ছে সবখানে।ট্রাম্প সমর্থকদের এ হামলার ঘটনাকে মার্কিন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চরম ব্যর্থতা বলে উল্লেখ করেছেন। তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টের অভিষেকের মতো অনুষ্ঠানগুলোতে সাধারণত একাধিক নিরাপত্তা সংস্থার সমন্বিত পরিকল্পনা থাকে। গত বুধবার কংগ্রেসে জো বাইডেনকে জয়ী ঘোষণার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াতেও একই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকার কথা ছিল।

usa03

অথচ ঘটনার দিন গোটা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ভার নিয়েছিল শুধু ক্যাপিটল পুলিশ। গোটা ১২৬ একর এলাকার নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব ছিল এ বাহিনীর দুই হাজার সদস্যের হাতে। তার ওপর, হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টা পরেও ক্যাপিটল পুলিশের হাতে নিরাপত্তা সরঞ্জাম এসে পৌঁছায়নি।ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিল থেকে হাঁটাদূরত্বে সমাবেশ করছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে সমর্থকদের সামনে তিনি আবারও জোর গলায় ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ওপর ভয়াবহ আঘাত করা হচ্ছে। এটি থামাতে সমর্থকদের ক্যাপিটলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে সরে যান ট্রাম্প। এর পরপরই পার্লামেন্ট ভবনে হামলে পড়ে তার কয়েক হাজার সমর্থক।এধরনের ঘটনার আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল বেশ কিছুদিন থেকেই। এরপরও হোমল্যান্ড সিকিউরিটির মতো অন্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর কাছে সহযোগিতার কোনও অনুরোধ জানায়নি ক্যাপিটল পুলিশ। এমনকি শহরের মেয়র ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের নামিয়েছেন হামলার এক ঘণ্টারও বেশি সময় পর। অথচ কিছুদিন আগে এই বাহিনীই বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনকারীদের কীভাবে দমন করেছিল, তা দেখেছে গোটা বিশ্ব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ