1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০২:০০ অপরাহ্ন

দেশি পেঁয়াজের দামে ধস

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

ন্যাশনাল ডেস্ক : নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় দীর্ঘ সাড়ে ৩ মাস বন্ধের পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে শনিবার ভারত থেকে আমদানি শুরু হয়েছে। আমদানিকৃত এসব পেঁয়াজ বন্দর থেকে খালাস হয়ে দেশের বাজারে সরবরাহ করা হয়েছে। এদিকে ভারতীয় পেঁয়াজ আসায় দেশি পেঁয়াজের দামে ধস নেমেছে| একদিনের ব্যবধানে কেজিতে দাম কমেছে ৩ থেকে ৪ টাকা। কয়েকদিন আগে যে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়, এখন তা ২৮ থেকে ৩০ টাকা।শনিবার (২ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় ভারত থেকে ১৯ টন পেঁয়াজ বোঝাই একটি ট্রাক দেশে আসার মধ্য দিয়ে সাড়ে ৩ মাস পর পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক মেসার্স বাবু এন্টারপ্রাইজ এই পেঁয়াজ আমদানি করে। রবিবার (৩ জানুয়ারি) বিকাল ৫টা পর্যন্ত বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আর কোনও পেঁয়াজ দেশে আসেনি। তবে এরপর দুই ট্রাকে ৫৪ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। হিলি স্থলবন্দরের রাইয়ান ট্রেডার্স এসব পেঁয়াজ আমদানি করে। আগামীকালও বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা নজরুল ইসলাম ও মুকুল হোসেন বলেন, কয়েকদিন আগে যে পেঁয়াজ কিনেছি ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়, এখন সেটা ২৮ থেকে ৩০ টাকা। পেঁয়াজের দাম কমায় আমাদের বেশ সুবিধা হয়েছে। হিলি বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী শাকিল খান ও শেরেগুল ইসলাম বলেন, দুদিন আগে পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা বিক্রি করেছিলাম। ভারত পেঁয়াজ রফতানি করবে এমন খবরে দেশি পেঁয়াজের দামও কমে যায়। একদিন পরেই সেই পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩২ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। আমদানির পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম আরও কমেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২৭ থেকে ২৮ টাকায় বিক্রি করছি।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মাহফুজার রহমান বাবু বলেন, ভারত পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করায় আমরা তা আমদানির জন্য আইপি করি। প্রতি টন পেঁয়াজ ২৫০ মার্কিন ডলারে এলসি খুলেছি। কেউ কেউ ২৭৫ মার্কিন ডলারও এলসি খুলেছে। শনিবার বন্দরে সাড়ে ৩ মাস পর আমার ১৯ টন পেঁয়াজ নিয়ে একটি ট্রাক প্রবেশ করে। তবে ভারত থেকে পেঁয়াজ ঢুকলেও দাম তেমন নেই। তেমন ক্রেতাও নেই। ১৯ টনের মধ্যে ভালো কিছু পেঁয়াজ ৩০ টাকায় বিক্রি করতে পেরেছি। বাকিগুলো ২৫ থেকে ২৭ টাকায় বিক্রি করেছি। আমার আরও কিছু পেঁয়াজ আগামীকাল ঢুকতে পারে।প্রসঙ্গত, নিজেদের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ