1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সুইডেনের আদলে ২০০ কি.মি. বৈদ্যুতিক সড়ক বানাচ্ছে ভারত শিগগির বিয়ে করতে যাচ্ছেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা! ই-কমার্স বন্ধ না করে প্রতারণা ঠেকাতে আইন করার তাগিদ ৪ মন্ত্রীর নরসিংদী পলাশে এক নারীর স্বর্ণ চুরি করতে গিয়ে ৭ নারী গ্রেফতার নলতায় জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করলেন তুফান গড়ইখালীর নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম কেরু’র নির্বাচন পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় কুলিয়ায় কয়েক হাজার নেতাকর্মী নিয়ে আছাদুল হকের মোটর শোভাযাত্রা দেবহাটার ওসি-সেকেন্ড অফিসারকে বদলী, ভারপ্রাপ্ত ওসি ফরিদ আহমেদ খলিশাখালি সহস্রাধিক বিঘা জমি দখলের ঘটনায় সরেজমিনে মামলার তদন্তে পিবিআই সাতক্ষীরায় তথ্য অধিকারের ওপর সচেতনতামূলক প্রচারণা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

অবৈধ সিন্ডিকেটের কারণে বেকার ৯ হাজার অসহায় শ্রমিক

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী প্রতিনিধি: নরসিংদী সদর উপজেলার চৌয়ালা এলাকায় প্রায় ৯’শত শিল্প কারখানা মালিকদের সিন্ডিকেটের কারণে আপাতত বন্ধ। এতে করে বিপাকে পড়েছে প্রায় ৯ হাজার শ্রমিক। এ বিষয়ে আজ চৌয়ালা এলাকা পরিদর্শন করতে গেলে সংবাদকর্মী সাইফুল ইসলাম রুদ্রকে শ্রমিক নেতা শরীফ জানান, হঠাৎ সুতার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মালিকরা সিন্ডিকেট করে মিল কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে। এতে আমরা সাধারণ শ্রমিক খুবই বিপাকে পড়ে গেছি। কারণ আমরা “দিন এনে দিন খায়”। আমাদের মাথার উপর এই চাকুরী বাদে তেমন কোন বাড়তি আয় নেই। তাই এই চাকুরীই আমাদের একমাত্র সম্বল। এদিকে চৌয়ালা মাঞ্জু মিয়ার মিলের সামনে চা এর দোকানদার আবদুল মালেক রুদ্রকে বলেন, আজ প্রায় ৪/৫ দিন যাবৎ কারখানা বন্ধ থাকায় আমার দোকান থেকে যেসব শ্রমিক বাকি নিয়েছে তারা এখন টাকা দিতে পারছে না। এতে করে আমি আর্থিকভাবে ভীষণ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। অপরদিকে সিরাজগঞ্জ থেকে আসা এক শ্রমিক মোঃ হাশেম মিয়া বলেন আমাদের এলাকা থেকে প্রায় ২’শত শ্রমিক কাজ করে এই চৌয়ালা পাওয়ারলুমগুলোতে। অথচ কারখানা বন্ধ থাকার ফলে আমাদের বাসা ভাড়া সহ খাবার-দাবারে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। এর ফলে আমরা মানবেতকর জীবন যাপন করছি। অথচ আমাদের সকলের দুঃখের বিষয় হলো- মালিকপক্ষ কোন কিছু না বলেই হঠাৎ করে কারখানা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিগত সময়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শ্রমিকদের রক্ষা করতে কারখানাগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। তাই আমাদের শ্রমিকদের ঐ ক্ষতির রেশ কাঁটতে না কাঁটতেই হঠাৎ বর্তমান সময়ে কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে মালিকপক্ষ। অথচ শ্রমিকদের আক্ষেপ, উল্টোদিকে আরেক সংগঠন পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন এলাকায় পাওয়ারলুমসহ কারাখানাগুলো দিন রাত ২৪ ঘন্টা চলছে। অথচ মাঞ্জু মিয়ার নেতৃত্বে যে কারখানাগুলো পরিচালিত হচ্ছে সেগুলো আপাতত বন্ধ রয়েছে। যার প্রভাব পড়ছে নিরীহ ৯ হাজার শ্রমিকদের উপর। এ বিষয়ে সংবাদ কর্মী রুদ্র চৌয়ালা মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মাঞ্জু মিয়ার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুতার দাম বাড়তি হওয়ায় এবং কাপড়েরর দাম কম হওয়ায় আমরা মালিকরা একত্রিত হয়ে কারখানা বন্ধ করার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এক শ্রেণীর সিন্ডিকেটের কাছে আমরা মালিকপক্ষ জিম্মি। তাই আমাদের বাধ্য কারখানা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। কারখানার শ্রমিক সংহতির নেতারা বলেন, আপাতত মালিকদের সিদ্ধান্তের কারণে কারখানা বন্ধ হওয়ায় আমরা প্রায় ৯ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছি। এতে করে সাময়িকভাবে অর্থনীতির ওপর অবশ্যই চাপ পড়বে। যা দেশ ও আমাদের জন্য ক্ষতি। তাই প্রশাসনের নিকট আবেদন জানাচ্ছি, আমাদের এই বিষয়টি তদন্ত করে কারখানার এই অবৈধ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ