1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৩:২৩ অপরাহ্ন

কপিলমুনিতে রায় পরিবারের সম্পত্তি দখল পরিকল্পনার অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে
কপিলমুনি প্রতিনিধি : কপিলমুনিতে পূর্ব পুরুষ থেকে ভোগ দখলে থাকা রায় পরিবারের সম্পত্তি দখল পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ চিত্তরঞ্জন গংদের বিরুদ্ধে। আর এ সংক্রান্ত বিষয়ে একাধিক মামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে পক্ষে বিপক্ষে আদালতে করা সার্বিক মামলার রায় অভিজিত সাধু গংদের অনুকূলে রয়েছে। এমতাবস্থায় প্রতিপক্ষ চিত্তরঞ্জন গং কর্তৃক হয়রানীমূলক মামলা থেকে পরিত্রাণ পেতে সমাজের জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রকাশ, খুলনা জেলার দক্ষিণ জনপদের পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি বাজারের প্রতিষ্ঠা রায়সাহেব বিনোদ বিহারী সাধু’র একমাত্র কনিষ্ঠ ভ্রাতা কুঞ্জ বিহারী সাধুর নিজ নামীয় এস এ ১৯৩ খতিয়ানের নাছিরপুর মৌজায় ১.৫৫ শতক জমির মধ্যে ওয়ারেশ জাত সাধন চন্দ্র, সত্যেন্দ্রনাথ, তপন ও তুষার কান্তি সাধুর অনুকূলে বিআরএস-৫৯৩, খতিয়ানে ১.২১৪৫ শতক ও কুঞ্জবিহারী সাধুর অংশ হতে ক্রয়সূত্রে ননীবালা অধিকারীর অনুকূলে একটি পৃথক খতিয়ানে ৩৩ শতক জমি চুড়ান্ত ভাবে রের্কড প্রস্তুত হয়ে প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি সময়ে পূর্ব পুরুষ থেকে অভিজিত গংদের অনুকূলে ভোগদখলীয় থাকা সম্পত্তি দখলের নানা পরিকল্পনা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে চলেছে চিত্তরঞ্জন গং। আর এ সংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতে উভয়ের মধ্যে একাধিক মামলার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এপর্যন্ত সবকয়টি মামলার রায় অভিজিত সাধুগংদের পক্ষে হয়েছে বলে রায় ও কাগজপত্র পর্যালোচনায় দেখাযায়। এব্যাপারে অভিজিত সাধু বলেন, এস এ ১৯৩ ও বিআরএস ৫৩৯ খতিয়ান মোতাবেক ১.২১৪৫ শতকের মালিক অংশে প্রায় দীর্ঘ ৫ যুগেরও অধিক সময় ধরে আমরা উক্ত জমিতে বিভিন্ন ফল-ফলাদী গাছ লাগিয়ে ভোগদখল করে আসছি। প্রথমত চিত্তরঞ্জন গং ১৯৯৫ সালে সেটেলমেন্ট আইনের ৩০ ধারা ও ২০০৩ সালে ৩১ ধারা মোতাবেক দুটি মামলা করেন। যাহার রায় আমাদের পক্ষে এসেছে। এর পরবর্তী চিত্তরঞ্জন গং উক্ত সম্পত্তি তঞ্চকিপূর্ণ কাগজপত্র সৃষ্টি করে দখলের পায়তারা চালাতে থাকে। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে আমরা ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে পাইকগাছা বিঞ্জ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এম আর-২৩৭/১৯ মামলা দাখিল করি। যাহা ইউএলও কপিলমুনি তদন্ত প্রক্রিয়া শেষে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করলে আমাদের পক্ষে আদেশ হয়। এদিকে উক্ত মামলা চলমান থাকা অবস্থায় চিত্তরঞ্জন গং আমাদের বিপক্ষে এম আর ২৪৫/১৯ মামলা দাখিল করেন। যাহার রায়ও সম্প্রতি সময়ে আমাদের পক্ষে এসেছে। তারপরও তাদের কুপরিকল্পনা থেকে নেই। তারা বিভিন্ন সময় দলগতভাবে আমাদের সীমানায় প্রবেশের অগ্রাসী অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই। তবে সর্বপরী ভুক্তভোগী রায় পরিবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে চিত্তরঞ্জন গংদের সাথে মৌখিক আলাপকালে তারা উপরোক্ত বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ