1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১১:২১ পূর্বাহ্ন

ঘুষ দিয়ে ফসলি জমিতে ইটভাটা তৈরীর অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী প্রতিনিধি: নরসিংদীতে মনোহরদী উপজেলার হরিনারায়ণপুর এলাকায় ফসলী জমির মাঝখানে অবৈধ ও জোরপূর্বক ভাবে গড়ে উঠেছে ইটের ভাটা। এই ইটভাটার নাম হচ্ছে মেসার্স শামীম কনস্ট্রাকশন এবং মালিক হলো মোঃ কামরুজ্জামান।  মোঃ আসাদ মিয়া সহ এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, আমাদের ফসলী জমির উপরে গড়ে উঠেছে এই ইট ভাটা। এই ইট ভাটার কারণে আমাদের আশে পাশের ফসলী জমি নষ্ট হচ্ছে এবং উর্বরতা হারাচ্ছে। ফলে কোনো ফসলই উৎপাদন করতে পারছি না। এ ব্যাপারে ইট ভাটার মালিককে আমরা কিছু বলতে গেলে বিভিন্ন মামলা, হামলার দেওয়ার হুমকি সহ প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদর্শন করে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মোঃ কাশেম অভিযোগ করে বলেন, উক্ত ইট ভাটার মালিক পরিবেশ অধিদপ্তরকে টাকা দিয়ে এই ইট ভাটাটি অবৈধভাবে স্থাপন করেছে। ফলে আশে পাশের প্রায় ২০০ টি পরিবার প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এমতাবস্থায় এই ইট ভাটার কারণে আমরা সাধারণ জনগণ দিন দিন খুবই বিপদগ্রস্থ অবস্থায় ধাবিত হচ্ছি।

তাছাড়া এই ইটভাটার সাথে লাগোয়া মসজিদ, উচ্চ বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও বাজার রয়েছে। ভাটার চারপাশ দিয়ে জনবসতি ও ফসলি জমি। এই কারণে চারপাশের লোকজন অনেকভাবে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।  এই বিষয়ে মনোহরদী উপজেলার সহকারী কমিশনার মোঃ ইকবাল হাসান বলেন, ইটভাটার লাইসেন্স দেওয়ার আগে কৃষি বিভাগ, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও জেলা প্রশাসন থেকে সরেজমিন তদন্ত করানো হয়। তার পর তাদের প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একজন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি কমিটি বিচার-বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন দেয়। ওই প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইট পোড়ানোর লাইসেন্স দেওয়া হয়। এতগুলো স্তরের তদন্ত হওয়ার পরও কীভাবে জনবসতি এলাকা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে ও কৃষিজমিতে ভাটার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে। লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়ায় ত্রুটি পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ