1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাথন্ডা আমিনিয়া আলিম মাদ্রাসার নতুন সভাপতি প্রকৌশলী শেখ তহিদুর রহমান ডাবলুকে শুভেচ্ছা পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী প্যানেলের জয়লাভ : সভাপতি – পঙ্কজ, সম্পাদক – তৈয়ব এগিয়ে চলছে পাইকগাছা-কয়রা-খুলনা সড়কের উন্নয়ন কাজ সাতক্ষীরায় কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এমপি রবি সাতক্ষীরায় বঙ্গবন্ধু আন্তঃ বিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর উদ্বোধন সাজেক্রীস নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মীর তানজির আহমেদ’র আহবানে মিলন মেলা কোরাইশী ফুড পার্কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন পাইকগাছা পৌরসভা বিএনপি’র সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ৪৪তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং দুই-দিন ব্যাপী বিজ্ঞান মেলা এমপি বাবুর সাথে জেলা পরিষদ সদস্য রবিউল ইসলামের শুভেচ্ছা বিনিময়

ওদের মনেও বিজয় দিবসের আনন্দ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

ন্যাশনাল ডেস্ক : ওরা সবাই একে অপরের পরিচিত। একই এলাকায় বেড়ে ওঠা। কেউ কেউ একসঙ্গে খেলাধুলা করে আবার স্কুলেও যায়। আজ বিজয় দিবসে ওরা দলবেঁধে ঘুরতে বের হয়েছে। রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকার মধুবাগ ব্রিজের কাছে এই শিশুদের দেখা পাওয়া গেল। কথা হয় সাকিফা, শাহনাজ, রাকিব, নুর মোহাম্মদ, সুরাইয়া, লামিয়া ও শিরিনের সঙ্গে। ওরা বললো- আজ বিজয় দিবস, খুশির দিন। আমরা ঘুরবো-ফিরবো আর খাবো।

jagonews24

নুর মোহাম্মদ বলে, আমার খুব ভালো লাগছে। একসঙ্গে সবাই আজ ঘুরছি। আজ আমরা সবাই আনন্দ করবো। লামিয়া ঘরে থাকা শাড়ি আর মায়ের কিনে দেয়া ফুলের ব্যান্ড মাথায় দিয়ে বেরিয়েছে। সাকিফা আগের পুরোনো জামাই পরেছে কিন্তু ওর মা সাজিয়ে দিয়েছে। আর নুর মোহাম্মদ তো প্রতিদিনের ব্যবহৃত গেঞ্জি, প্যান্ট পরে ঘুরতে বের হয়েছে।

jagonews24

কথায় কথায় জানা গেলো, ওদের কারোর বাবা নেই। কেউ কেউ মায়ের কাছে থেকে বড় হচ্ছে। মা অন্যের বাসা-বাড়িতে কাজ করে তাদেরকে স্কুলে পাঠায়। আর কারোর বাবা ভ্যান, রিকশা চালায়। আর আজ বিজয়ের দিন বলে তারা দলবেঁধে ঘুরছে। সুরাইয়া বললো, আমরা সবাই বাবা-মায়ের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে ঘুরতে আসছি। সবাই টাকা দিয়ে একসঙ্গে ফুচকা, আইসক্রিম খাবো। আমাদের খুব ভালো লাগছে।

jagonews24

ঘুরতে ঘুরতে দেখা গেলো, ঝিলের পাড় ধরে দলবেঁধে ওরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। ফুটপাতে ফুল বিক্রেতার কাছ থেকে ফুল কেনার জন্য দাম করছে। আবার কেউ বিজয় দিবসের স্টিকার, জাতীয় পতাকা কেনার জন্য দামাদামি করছে। যার টাকা আছে সে কিনছে। যার টাকা নেই সে ফুল বিক্রেতা কিংবা পতাকা বিক্রেতার কাছে আবদার করছে। কিছুক্ষণ পর প্রত্যেকে ১০ টাকা করে তুলে ফুচকা খাওয়ার জন্য টাকা গোছায়। পরে আনন্দ-আড্ডার মধ্য দিয়ে ওরা ফুচকা খেতে থাকে। আর এভাবেই ওদের মনে মহান বিজয় দিবসের আনন্দ জায়গা করে নেয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ