1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেবহাটার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসারের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা বিনিময় সাতক্ষীরা পৌর আ.লীগ ৪নং ওয়ার্ড শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল ২০২১ অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে দেবহাটায় মানববন্ধন এমপি বাবু’র সাথে নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানদের শুভেচ্ছা বিনিময় পাইকগাছার ব্যবসায়ী বিধান এর এক সপ্তাহেও খোঁজ মেলেনি ১৫ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বন্দরে চলছে ধর্মঘট সাতক্ষীরায় ১০ ইউপিতে নৌকা, ১১টিতে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী পাইকগাছা পৌরসভা এসডিজি ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন পাইকগাছার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

কপিলমুনি মুক্ত দিবসের অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের অবহেলা করায় ক্ষোভ প্রকাশ

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : পাইকগাছার ঐতিহাসিক কপিলমুনি মুক্ত দিবসের অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের অবহেলা করায় এবং মে কোন স্থান না হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নেতৃবৃন্দ। রোববার দুপুরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, সাবেক কমান্ডার শেখ শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার আলবদররা কপিলমুনি রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধুর বসতবাড়ীটি রাজাকার ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করতো। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা ৫ ডিসেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত কপিলমুনি মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। ৯ ডিসেম্বর ১৫৫ জন রাজাকার মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পন করে। এ সময় ৩জন নির্যাতিত মহিলাকে উদ্ধার করা হয়। দেয়ালে পেরেক বিদ্ধ অবস্থায় ১০ শ্রেণির ছাত্র সৈয়দ আলী গাজীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ যুদ্ধে শহীদ হন আনোয়ার হোসেন ও আনসার উদ্দীন। আহত হন তুবার আলী ও রুহুল আমিন। আত্মহতি দেয় নাম না জানা আরো অনেকেই। গত ৯ ডিসেম্বর প্রথম বারের মত পালিত হয় কপিলমুনি মুক্ত দিবস। দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের চরমভাবে অবহেলা করা হয়েছে। মে মুক্তির কান্ডারীদের কোন স্থান হয়নি। এমনকি অনেকের কাছে দাওয়াত পৌছায়নি। এছাড়া করোনার কারণে সরকার যেখানে জাতীয় দিবস উদযাপন সীমিত করেছে, সেখানে মুক্ত দিবসের অনুষ্ঠানে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে জনসমাগম করা হয়েছে। তিনি বলেন, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ এবং মুক্তিযোদ্ধাদেরকে যদি প্রধান্য দেওয়া হতো তাহলে মন্ত্রীর আগমন ফলপ্রসূ হতো। অনুষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করতে আয়োজকরা ব্যার্থ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেদিনের অনুষ্ঠানটি কপিলমুনি মুক্ত দিবসের আলোচনা ছিল নাকি কোন রাজনৈতিক সভা ছিল ? এছাড়া সেদিন জাতির পিতার স্ব-পরিবারে হত্যা কান্ডের স্বপক্ষে প্রকাশ্যে জনসভায় বিভিন্ন অনাহুত বক্তার বক্তৃতা মুক্তিযোদ্ধাদের বিষ্মিত করেছে। তিনি এহেন ঘটনার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ