1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাইকগাছা পৌরসভা এসডিজি ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন পাইকগাছার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান দেবহাটা ইজিবাইক মালিক ও চালক সমিতির শুভেচ্ছা বিনিময় দৃষ্টিপাত সম্পাদকের স্ত্রীর মৃত্যুতে দেবহাটা প্রেসক্লাবের শোক কপিলমুনিতে নিখোঁজ স্কুল ছাত্র আল-আমীনের সন্ধান পেতে চান অসহায় পিতা রাত পোহালেই সাতক্ষীরায় ২১ ইউপিতে ভোট, আছে শঙ্কা কাশেমপুরে মাদানী জামে মসজিদের ছাদ ঢালাইয়ের উদ্বোধন দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদকের সহধর্মীনির অকাল মৃত্যুতে সাতক্ষীরা সাংবাদিক ইউনিয়নের শোক কলারোয়ার যুগিখালীতে ৪র্থ বার বিনা প্রতিন্দীতায় নির্বাচিত ইউপি সদস্য মফিজুল ইসলাম

পদ্মা পার হওয়া যাবে ৫ মিনিটেই

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

ন্যাশনাল ডেস্ক : ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পদ্মা সেতুতে ৮০ কিলোমিটার বেগে গাড়ি চালিয়ে পাঁচ মিনিটেই পার হওয়া যাবে পদ্মা নদী। এতে করে সময় বাঁচবে, সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি কমবে। তবে সব কাজ শেষ করার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে আর মাত্র বছরখানেক সময়। বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং ঘাটে কোনও প্রকার যানজট না থাকলে ফেরিতে করে পদ্মা নদী পাড়ি দিতে সময় লাগে কমপক্ষে এক ঘণ্টা ১০ মিনিট। পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকৌশলী ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। পদ্মা সেতুর প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের জানান, বাংলাদেশে সর্বোচ্চ গতিসীমায় গাড়ি চলবে এই পদ্মা সেতু দিয়ে। সেতুতে সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার। এদিকে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা আব্দুল আলীম, যিনি বিগত কয়েক বছর শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটের উভয় ঘাটে ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, জানান, যদি ঘাটে কোনও যানজট না থাকে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকে এবং নৌরুটে ফেরি চলতে নাব্য সংকট, ঘন কুয়াশা বা অন্য কোনও সমস্যায় পড়তে না হয় তাহলে রো রো ফেরিতে এক ঘণ্টা ১০ মিনিট এবং ছোট ফেরিগুলোতে কমপক্ষে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে ফেরি পার হতে। আর যদি প্রতিকূল আবহাওয়া, নাব্য সংকট, ঘন কুয়াশা বা ঘাটে যানজট লাগে তাহলে কত সময়ে পদ্মা নদী পার হওয়া যাবে তার কোনও হিসাব নেই। এমনকি, কখনও কখনও নানা সমস্যায় দফায় দফায় ফেরি বন্ধ রাখতে হয়। ১১ কিলোমিটার দূরত্বের এ রুটে আগে ১৮ টি ফেরি চলতো। বর্তমানে ১৩টি ফেরি চলে। তবে, বেশিরভাগ ফেরিই পুরাতন। সর্বশেষ যে ফেরিটি যুক্ত হয়েছে তাও ৬ বছরের পুরাতন। এ নৌরুটে ২৪ ঘণ্টায় গড়ে দুই হাজার যান পার হয় পদ্মা নদী। তবে, ঈদের মৌসুম বা অন্য যে কোনও ছুটির সময় যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তখন অল্প কয়েকটি ফেরি নিয়ে হিমশিম খেতে হয় আমাদের।

এদিকে, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতেও যানের গতিবেগ সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার। এক্সপ্রেসওয়ে চালু হওয়ার আগে সে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যানজট লেগে থাকতো। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে পড়ে নাকাল হতে হতো সাধারণ যাত্রী ও চালকদের। পদ্মা সেতু চালু হলে এখানে দিনে রাতে ফেরির কমপক্ষে ২০ গুণ যানবাহন অনায়াসেই যাতায়াত করতে পারবে। আগে যেখানে দক্ষিণাঞ্চল থেকে ঢাকায় এসে দিনের কাজ দিনে শেষ করা যেত না সেখানে খুব সকালে রওনা দিলে অনায়াসেই অফিস-আদালতের কাজ শেষ করে ফের ঘরে ফিরতে পারবে মানুষ। মুন্সীগঞ্জের হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল বাসেদ জানান, আগে বিভিন্ন পয়েন্টে যানজট লাগলেও এখন যানজট নেই। ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৩৩ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ২৫ মিনিটেই যাওয়া সম্ভব। সার্ভিস লেন যুক্ত হওয়ায় এক্সপ্রসওয়েতে কোনও সর্বনিম্ন গতিসীমা নেই কারণ, ‘স্লো মুভিং ভেহিক্যাল’ সার্ভিস লেনে চলবে। পদ্মা সেতুর সর্বশেষ স্প্যান বসানোর মাধ্যমে যাত্রী ও চালকদের ভোগান্তির অবসানে আরও একধাপ এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হলো। এখন এই সেতু দিয়ে চলাচলের জন্য অপেক্ষা শুধু একটি বছরের। পদ্মা সেতুর সহকারী প্রকৌশলী আহমেদ আহসান উল্লাহ মজুমদার জানান, স্প্যান বসানো শেষ। এখন রোডওয়ে ও রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো চলবে। এরইমধ্যে ১৯টি স্প্যানের ওপর রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো শেষ হয়েছে। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। সে হিসেবে ৩ বছর ২ মাস ১০ দিনে বসানো হচ্ছে সেতুর সব কয়টি স্প্যান। বন্যা, নদী ভাঙন, চ্যানেলে নাব্য সংকট, করোনা ভাইরাস মহামারিসহ নানা জটিলতা কাটিয়ে একে একে ৪১ টি স্প্যান বসানো হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে গত ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত মূল সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি ৯১ ভাগ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৮৮ দশমিক ৩৮ ভাগ।

আরও পড়ুন :

পদ্মার দুই পাড়ের স্বপ্নের সেতুবন্ধন

সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় দেশ

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ