1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন

হত্যা মামলার আসামী ও সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের আলোচিত বাবু হত্যা মামলার আসামীরা মামলা তুলে নিতে বাদিও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব এক সংবাদ সম্মেলনে কালিগঞ্জ উপজেলার নীলকণ্ঠপুর গ্রামের মৃত বদরুদ্দীন সরদারের ছেলে খলিলুর রহমান এই অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আবিদ হোসেন ওরফে বাবু হত্যায় নেতৃত্বদানকারি একাধিক হত্যাসহ প্রায় ডজন মামলার আসামী কালিগঞ্জ উপজেলার বন্দকাটি গ্রামের মৃত আরশাদ আলী মোড়লের ছেলে কুখ্যাত ডাকাত নুরুল মোড়লও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা পলাতক থেকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য বাদিও তার পরিবারের সদস্যদের খুন ও গুমের হুমকি দিচ্ছে। সন্ত্রাসী নুরুল, আরিফ ও সাবিনাসহ ১০/১২ জন সন্ত্রাসী বাবুকে নির্মম ভাবে হত্যা করে। বাবু হত্যার রাতেও নুরুলের বাড়িতে নৈশভোজে একত্রিত হয়েছিল নুরুল, ভঞ্জুর, আরিফ ও ওহাব আলীসহ ১০/১২ জন। পুলিশ আরিফ ও সাবিনাকে আটক করলেও কুখ্যাত খুনি নুরুলসহ অন্যান্য আসামীদের পুলিশ এখনো আটক করতে পাারেনি। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দিন রাত দাপিয়ে বেড়াচ্ছে খুনি নুরুলসহ অন্যান্য আসামীর। নুরুল বাহিনীর কারনে এলাকার সম্পদশালী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি সহ ছোট বড় ব্যবসায়ীরা অসহায় হয়ে পড়েছে। রাতের আধারে তারা আরো ভয়ংকর হয়ে উঠে। নুরুল ডাকাত ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে হত্যাকান্ড, ঘের দখল, ঘের লুট, জমি দখল, এসিড নিক্ষেপ, অন্যের ঘরে আগুন জ্বালানোসহ অনেক চা ল্যকর অভিযোগ রয়েছে। এই নুরুল বিগত ২০০০ সালে ১৬ জুন বন্দকাটি গ্রামের আব্দুর রশিদ মোড়লকে পিটিয়ে হত্যা করে। এই বাহিনীর ভয়ে বি ুপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দিন ও আমিসহ ১০/১২ জন্য নিরাপত্তার দাবিতে কালিগঞ্জ থানায় জিডি করেছি। খলিলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, বাবু হত্যার পর নুরুল পালিয়ে ভারতে চলে যায়। ভারতেও তার নামে প্রায় হাফ ডজন মামলা রয়েছে। ভারতে তার নাগরিকত্ব রয়েছে। আমি বাবু হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করায় এবং হত্যাকারিদের বিরুদ্ধে কথা বলায় খুনি নুরুল ডাকাত লোক মারফত আমাকে ভয় দেখাচ্ছে ও হুমকি ধামকি দিচ্ছে। বাবু নিহত হওয়ার তিনদিন পর রাতে সন্ত্রাসীরা মটরসাইকেলে আমার বাড়ির গেটে গিয়ে হুঙ্কার দেয়। যে কোন সময়ে সে আমাকে গুমও খুন করতে পারে। ফলে নুরুল ডাকাতের ভয়ে মামলার বাদি এবং আমি ও আমাদের পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তহীনতায় ভুগছি। সন্ত্রাসী বাহিসী নিয়ে প্রতিনিয়ত অপরাধ সংঘঠিত করে বেড়াচ্ছে। তার ভয়ে এলাকার ভুক্তভোগি কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। বাবুকে হত্যার পর তারা অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপাতে চেষ্টা করে। তারই অংশ হিসাবে আমাকে ও ফিরোজ লষ্করসহ নির্দোষ ব্যক্তিদের জড়িয়ে মিথ্যে মামলা এবং অপপ্রচার চালানো হয়েছে। তিনি এই মিথ্যে মামলা ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে খুনি নুরুল সহ তার বাহিনীর সদস্যদের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একই সাথে বাবু হত্যা মামলার আসামী খুনি নুরুলসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তার পূর্বক প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের দ্রæত হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে বন্দকাটি গ্রামের চৌকিদার নুর ইসলাম মোড়ল, নীলকণ্ঠপুর গ্রামের সালাম গাজী ও সিরাজুল সরদার উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ