1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেবহাটার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসারের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা বিনিময় সাতক্ষীরা পৌর আ.লীগ ৪নং ওয়ার্ড শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল ২০২১ অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে দেবহাটায় মানববন্ধন এমপি বাবু’র সাথে নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানদের শুভেচ্ছা বিনিময় পাইকগাছার ব্যবসায়ী বিধান এর এক সপ্তাহেও খোঁজ মেলেনি ১৫ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বন্দরে চলছে ধর্মঘট সাতক্ষীরায় ১০ ইউপিতে নৌকা, ১১টিতে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী পাইকগাছা পৌরসভা এসডিজি ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন পাইকগাছার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

চট্টগ্রামের জয়যাত্রা থামাতে তামিমদের চাই ১৫২

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক : আগের দুই ম্যাচে লক্ষ্য ছিল অল্প, সহজ জয় পেয়েছিল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। বোলারদের নৈপুণ্যে প্রথম ম্যাচে বেক্সিমকো ঢাকা ও পরেরটিতে জেমকন খুলনাকে যথাক্রমে ৮৮ ও ৮৬ রানে অলআউট করেছিল চট্টগ্রাম। জবাবে সৌম্য সরকার ও লিটন দাসের উদ্বোধনী জুটিতে দুই ম্যাচে হেসেখেলে জিতে যায় বন্দরনগরীর দলটি। তৃতীয় ম্যাচে তাদেরকে সেই সুযোগটা দেয়নি ফরচুন বরিশাল। টস জিতে চট্টগ্রামকে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান বরিশাল অধিনায়ক তামিম ইকবাল। আর আগে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রামও পায়নি প্রথম দুই ম্যাচের মতো উড়ন্ত সূচনা। ব্যর্থ হন ওপেনার সৌম্য, বেশিদূর যেতে পারেননি লিটনও। ফলে চট্টগ্রামও পায়নি বড় সংগ্রহ। চার পেসার সাজানো বোলিং আক্রমণে চট্টগ্রামকে বেশি বড় সংগ্রহে যেতে দেয়নি ফরচুন বরিশাল। লিটনের শুরুর ঝলকের পর আর কেউই পারেননি মাথা তুলে দাঁড়াতে। শেষপর্যন্ত শামসুর রহমান শুভ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতদের ছোট ছোট ইনিংসের সঙ্গে সৈকত আলির ঝড়ো ক্যামিওতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রান করেছে চট্টগ্রাম। চট্টগ্রামকে তাদের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ দিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় জয় তুলে নিতে বরিশালের লক্ষ্য ১৫২ রান।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই সাজঘরে ফিরে যান সৌম্য, এক চারের মারে করেন ৬ বলে ৫ রান। ইনজুরিতে মুমিনুল হক ছিটকে পড়ায় তিন নম্বরে নামেন অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। লিটন দাসকে নিয়ে ঝড়ো ব্যাটিংয়ের ইঙ্গিত দেন মিঠুন। কিন্তু সুমন খানের করা ষষ্ঠ ওভারে পরপর চার ও ছয় হাঁকিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক। আউট হওয়ার আগে ১৩ বলে করেন ১৭ রান। অপরপ্রান্তে লিটন ছিলেন সাবলীল। আগের ম্যাচে করা ফিফটির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দৃষ্টিনন্দন সব শট খেলতে থাকেন লিটন। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি নিজের ওপর। ইনিংসের দশম ওভারে আবু জায়েদ রাহী বোলিংয়ে উদ্ভাবনী শট খেলতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে মেহেদি মিরাজের হাতে ধরা পড়েন তিনি। তখন তার নামের পাশে ৪ চারের মারে ২৫ বলে ৩৫ রানের ইনিংস। পরে দেখেশুনে খেলতে শুরু করেন শামসুর শুভ ও মোসাদ্দেক সৈকত। দুজন মিলে যোগ করেন ২৮ রান। দলীয় ৯৬ রানের মাথায় ২৮ বলে ২৬ রান করে আউট হন শুভ। দলকে হতাশ করে ৯ বলে মাত্র ২ রান নিয়ে সাজঘরে ফেরেন জিয়াউর রহমান। এরপর ইনিংসের বাকিটা সাজান মূলত সৈকত আলি। মোসাদ্দেক সৈকতের সঙ্গে মাত্র ১৮ বলে যোগ করেন ৪০ রান। এর মধ্যে আবু জায়েদ রাহীর করা ১৯তম ওভারে তিন ছয়ের মারে ২৩ রান তুলে নেন সৈকত আলি। ইনিংসের শেষ বলে রানআউট হওয়ার আগে ১১ বলে এক চার ও তিন ছয়ের মারে ২৭ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন সৈকত আলি। মোসাদ্দেক সৈকতের ব্যাট থেকে আসে এক ছয়ের মারে ২৪ বলে ২৮ রানের ইনিংস। শেষদিকে দুই চারের মারে ৪ বলে ৮ রান করেন নাহিদুল ইসলাম। বল হাতে বরিশালের পক্ষে ২ উইকেট নেন আবু জায়েদ রাহী। এছাড়া সুমন খান, কামরুল রাব্বি, তাসকিন আহমেদ ও মেহেদি মিরাজের ঝুলিতে যায় ১টি করে উইকেট।

আরও পড়ুন : এক নজরে ম্যারাডোনা

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ