1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দের সংবর্ধনা সাতক্ষীরার প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা প্রয়াত মমতাজ আহমেদ এঁর কর্মময় জীবনের উপর আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান সাতক্ষীরায় ৩১তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২৪তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা সাতক্ষীরা জেলা ইমাম পরিষদের উদ্যোগে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেবহাটায় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত পারুলিয়া ইউপি কাপ ফাইনালে পিডিকে মিতালী সংঘকে হারিয়ে মাহমুদপুরের জয় পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালিত কাথন্ডা আমিনিয়া আলিম মাদ্রাসার নতুন সভাপতি প্রকৌশলী শেখ তহিদুর রহমান ডাবলুকে শুভেচ্ছা পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী প্যানেলের জয়লাভ : সভাপতি – পঙ্কজ, সম্পাদক – তৈয়ব এগিয়ে চলছে পাইকগাছা-কয়রা-খুলনা সড়কের উন্নয়ন কাজ

২৮ বছর আগে খুনের মামলার রায়ের কপি ৬ মাস পর চট্টগ্রাম আদালতে

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৮০ বার পড়া হয়েছে

এম. মতিন, চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ড মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সোবহান হত্যা মামলার হাই কোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি দীর্ঘ ৬ মাস পর চট্টগ্রাম আদালতে পৌঁছেছে। গত বৃহস্পতিবার ডাকযোগে হাই কোর্টের নথিপত্র চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পৌঁছেছে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান, বিগত ৬ মাস পূর্বে সাজার রায় বহাল রেখে হাই কোর্ট আসামিদের বিরুদ্ধে যেই রায় দিয়েছিলেন। ৬ মাস পর সেই রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি চট্টগ্রাম আদালতে পৌঁছেছে। আর হাই কোর্টের এ রায়ের কপি গ্রহণের চার সপ্তাহের মধ্যে আসামিরা জামিনে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করে গ্রেপ্তারপূর্বক সাজার রায় কার্যকরের কথা বলা হয়েছে।

জানা যায়, ১৯৯১ সালের ৩০ অক্টোবর রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রাণীরহাট বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সোনারগাঁও রাস্তার মাথা এলাকায় আইয়ুব বাহিনীর সদস্যরা আবদুস সোবহানকে অপহরণ করে স্থানীয় পাহাড়ের জঙ্গলে নিয়ে যায়। পরে তাকে বল্লম দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বাদী হয়ে নিহতের ছেলে বখতিয়ার আহমেদ একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০০৬ সালে ৩০ নভেম্বর চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ এ এন এম বশির উল্লাহ এ হত্যা মামলায় ২১ আসামির মধ্যে ১৭ জনকে যাবজ্জীবন সাজা দেন। বাকি চার জনের মধ্যে দুইজন মামলা চলাকালে মারা যান এবং অপর দুইজন খালাস পান। ওই রায়ের বিরুদ্ধে ৯ আসামি হাই কোর্টে জেল আপিল করেন। বাকিরা পলাতক ছিলেন।

২০১৯ সালের আগস্টে হাই কোর্ট জেল আপিল খারিজ করে আসামিদের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতের দেয়া সাজার রায় বহাল রাখেন। পরে ৯ আসামির মধ্যে আবুল হাসেম নামে এক আসামি হাই কোর্টে একটি ক্রিমিনাল আপিল দায়ের করেন। চলতি বছর ১৭ ফেব্রুয়ারি হাই কোর্ট নিম্ন আদালতের সাজার রায় বহাল রেখে আসামির করা আপিল খারিজ করে দেন। হাই কোর্টের দেয়া ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি চট্টগ্রাম আদালতে বৃহস্পতিবার এসে পৌঁছে। এদিকে হাই কোর্টে নিম্ন আদালতে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা ৯ আসামির মধ্যে রাঙ্গুনিয়ার মূর্তিমান আতঙ্ক আইয়ুব বাহিনীর প্রধান আইয়ুব সম্প্রতি আততাঁয়ীর গুলিতে মারা গেছেন। মামলার আরেক আসামি শহীদুল ইসলাম খোকন চাঞ্চল্যকর আরেক হত্যাকাণ্ড ‘রাঙ্গুনিয়ায় জিল্লুর ভান্ডারী হত্যা মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তবে মুক্তিযোদ্ধা সোবহান হত্যা মামলায় তার জামিন আছে। বাকি ৭ আসামির সবাই হাই কোর্ট থেকে জামিন নিয়েছিলেন।

এ ব্যাপারে নিহত আবদুস সোবহানের ছেলে ডা. উকিল আহমদ তালুকদার বলেন, ‘২৮ বছর আগের এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা চালাতে গিয়ে আর্থিক, শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি চাকুরি হারিয়েছি। আসামিদের একজন আততাঁয়ীর গুলিতে মারা যাওয়ার ঘটনায় আমার বিরুদ্ধে করা ‘মিথ্যা’ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেল খাটতে হয়েছে। এ মামলায় এখনও আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে।’ এসময় তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারপূর্বক রায় কার্যকর করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ