1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী কবির উদ্দীন তোতাকে সংবর্ধনা দেবহাটায় প্রভাবশালী কর্তৃক নির্যাতিত সংখ্যালঘু পরিবারের সংবাদ সম্মেলন দেবহাটা’য় আ.লীগের নৌকার দলীয় মনোনয়ন গ্রহণ দেবহাটায় আ.লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী আসাদুলের সংবাদ সম্মেলন যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা : শ্বশুর আটক কুলিয়ায় জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় করলেন আছাদুল হক বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সাইন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে কমিউনিটি ওয়াশ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত পাইকগাছা উপজেলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষাকল্পে জরুরী মতবিনিময় রেড ক্রিসেন্ট পক্ষ থেকে বাংলাদেশ অবসর প্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির মাঝে মাস্ক প্রদান

ফসলের মাঠে সোনালী ধানের ঝিলিক গ্রামে গ্রামে সোনালী ফসলের মনোরম দৃশ্য

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ রফিকুল ইসলাম, শার্শা প্রতিনিধি : সারাদেশের ন‍্যায় যশোর জেলার অন্যতম কৃষি প্রধান জনপদ শার্শা উপজেলার ফসলের মাঠে মাঠে এখন সোনালী ধানের ঝিলিক দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোথাও আংশিক আধাপাকা থাকলেও প্রায় মাঠেই এখন ধান পেকে সোনালী রূপ ধারণ করেছে, এবং ধান কাটা শেষ পর্যায়ে।জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আশানুরূপ বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় কয়েক বছরের ব্যবধানে এবার রোপা আমন নিয়ে শঙ্কায় ছিল কৃষকরা। তবে শেষের দিকে কয়েক দফা বৃষ্টিপাত ও সবশেষে ঝড়ো হাওয়া আর বৃষ্টি মিলিয়ে আশা নিরাশার দোলায় সকল বৈরিতা কাটিয়ে আমনের ভালো ফলন হয়েছে।

আবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় প্রায় জায়গাতেই ধান চাষ করা হয়েছে। প্রতি বছরই কিছু না কিছু আমন ধান বিনষ্ট হতো। তবে সেই অনুপাতে এবার বিপর্যয় অনেকটাই কম বলে জানান উপজেলার অধিকাংশ কৃষক। ফসলের মাঠজুড়ে বাতাসে দুলছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন-আমন ধান। পোকার আক্রমণ আর নানা রোগবালাইয়ের পরও এবার আমনের বাম্পার ফলনের সুবাস পাচ্ছেন কৃষকরা।

শার্শা উপজেলার কৃষক পরিবারে এখন ধানের মৌ মৌ গন্ধ। মাঠে মাঠে আনন্দে ধান কাটছে চাষিরা। আমনের বাম্পার ফলন আর নবান্নের আনন্দে আজ বাংলার মাঠ-ঘাট ভরে উঠেছে সোলানী ফসল গ্রামঞ্চলে মাঠে ঘাটে পাকা ধানের শীষে দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। কৃষাণ-কৃষাণীরা মনে বইছে আনন্দের বন্যা।উপজেলা জুড়ে আমন ধানের বাম্পার ফসলে আবারো বাধ-ভাঙা আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠেছে কৃষক-কৃষাণীরা। দিগন্তজুড়া সোনালী ফসলের মনোরম দৃশ্য এখন গোটা উপজেলা জুড়ে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। ফসল কাটার মহোৎসবে ব্যস্ততম সময় কাটাচ্ছেন এখানকার কৃষকরা। শীতের সকাল থেকে পড়ন্ত বেলা পর্যন্ত মাঠে-মাঠে ফসল কর্তনের চিরাচারিত দৃশ্য দেখা যাচ্ছে গ্রামজুড়ে।একদিকে কৃষকরা ধান কেটে বাড়ির আঙ্গিনায় জড়ো করছেন। অপরদিকে গরুর গাড়ী বা ইন্জিন চালিত গাড়ী দিয়ে সোনার ফসল বাড়ী আনছে কৃষক একই সঙ্গে মাড়াই কাজ সম্পন্ন করে নিচ্ছেন কৃষকরা। মাড়াই শেষে বাতাসে ধান উড়িয়ে বাকি কাজটুকু সম্পন্ন করে গোলায় তোলার কাজে এখানে কৃষাণীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। চলছে উপজেলার গ্রামে-গ্রামে ও মাঠের পর মাঠ সোনালী ফসল ঘরে তোলার মহা উৎসব। বাতাসে ছড়ানো আমনের মৌ-মৌ গন্ধ আর কৃষক-কৃষাণীদের ফসল ঘরে তোলার কর্মব্যস্ততা এখানে এক অন্যরকম আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে এবছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা স্বত্বেও রোপা আমন ধান চাষাবাদে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ধানের ফলনও হয়েছে ভালো।
আমাদের দেশের স্বনির্ভরতার সবচেয়ে বড় অর্জন এই ধান। তাই ধান চাষাবাদে সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে। গত বছরের তুলনায় এবছর লক্ষ মাত্রায় চেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে। তবে আশা করা হচ্ছে কৃষকেরা আশানুরুপ ফলন গোলায় তুলতে পারবে এবং এছাড়াও ধানের চড়া দাম থাকায় অধিক লাভবান হবেন এবার কৃষক ও ধান চাষীরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ