1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তালায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ও জনদূর্ভোগ লাঘবে অবৈধ নেট-পাটা অপসারণ বিশিষ্ট চাউল ব্যবসায়ী বাবুরালী সানার স্বরনে মাঝিয়াড়া ব্যবসায়ীদের শোক প্রকাশ সাংবাদিক আব্দুল আজিজ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির স্মারকলিপি প্রদান নরসিংদীতে রিক্সাচালকের করুণ কাহিনী শুনে আর্থিক অনুদান প্রদান দেবহাটায় মোবাইল কোর্টের অভিযানে পুশকৃত বাগদা চিংড়ি জব্দ, জরিমানা আদায় শার্শায় প্রধানমন্ত্রী কতৃক ঘোষিত প্রণোদনা এসএমই ঋণ বিতরণ বিশ্বজুড়ে ডেল্টার ঢেউ: বিভিন্ন দেশে রেকর্ড সংক্রমণ প্রশংসা পাচ্ছে অপূর্ব-মেহজাবিনের ‘অন্য এক প্রেম’ কিছু বিদেশি গণমাধ্যম দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে ভুল সংবাদ দেয়

কালিগঞ্জে মাদ্রাসার শিক্ষক শহিদুল্লাহর অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ১২৬ বার পড়া হয়েছে

আব্দুল কাদের, কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : কালিগঞ্জ উপজেলার গান্ধুলিয়া দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা শহিদুল্লাহর বিধি বর্হিভূত ভাবে পদ ও স্কেল পরিবর্তন করে অতিরিক্ত সরকারী অর্থ আতœসাতের অভিযোগে তদন্ত করলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ। ২৩ নভেম্বর সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় গান্ধুলিয়া মাদ্রাসায় এতদন্ত কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। জানা গেছে গান্ধুলিয়া দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা শহিদুল্লাহ গত ১১/৮/১৯৮১ সালে ম্রাদাসার ক্বারী ইন্তেজের পরিবর্তে সহকারী মৌলভী হিসাবে মাদ্রাসার তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। সহকারী মৌলভী হিসাবে ৮ বছর পর টাইম স্কেল পান। পরবর্তীতে তিনি বিধি বহিভূত ভাবে ১৯৯৬ সালে মাদ্রাসা কমিটির অগচরে ফাঁকা জায়গায় রেজুলেশেনের সহকারী সিনিয়র মৌলভী হিসাবে পদায়ন করেন এবং ৮ বছর পর ২০০৪ সালে তিনি টাইম স্কেল পান। ২০০৪ সালের একই রেজুলেশনে বিধি বহিভূত ভাবে তিনি সহকারী সুপার হিসাবে পদায়ন করেন। এবং ৮ বছর পরে টাইম স্কেল পেয়ে বর্তমান ২৩ হাজার টাকার স্কেলে বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন। অর্থ আতœসাৎ করার অভিযোগে মাদ্রাসার রেজুলেশন এমপিও কপি বেতন ভাতা খাতা এবং মাসিক বেতন উত্তোলন বিলে তার প্রমান রয়েছে। মাওলানা শহিদুল্লাহ নিজের অবৈধ পদের বহাল থাকার জন্য বিধি বর্হিভূত ভাবে ছুটি দিয়ে ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ম্রাদাসার সুপার রুহুল আমিন কে মাসিক বেতন প্রদান করে আসছেন। তিনি দীর্ঘ ৪ বছর মাদ্রাসায় না এসেও বহাল তবিয়াতে বেতন ভাতা ভোগ করছেন। ফলে মাদ্রাসার অবকাঠামো উন্নয় ও শিক্ষা ব্যবস্থা একে বারেই ভেঙ্গে পড়েছে বলে স্থানীয় ব্যক্তি এবং অভিভাবকরা অভিযোগ করেন। মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার বিধি বহিভূত ভাবে সহকারী সুপার পদ বাতিল সহ অতিরিক্ত অর্থ আতœসাথের অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এলাকা বাসীর পক্ষ থেকে আ লিক পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনা অ ল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কালিগঞ্জ, জেলা শিক্ষা অফিসার সহ অন্যান্য স্থানে অভিযোগ করলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কালিগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গতকাল মাদ্রাসায় যেয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও অভিযোগকারীদের কাছ থেকে শোনা বোঝা ও তদন্ত কার্যক্রম করেন। এসময় মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য অভিভাবক এলাকাবাসী ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। তারা মাদ্রাসা শিক্ষকের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ