1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ১১:৪১ অপরাহ্ন

অবশেষে ভরত চন্দ্রের নামেই ফিরছে কপিলমুনি হাসপাতাল

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

প্রবীর জয়, কপিলমুনি : আধুনিকায়নের মধ্যে দিয়ে স্ব-নামে ফিরছে কপিলমুনি দশ শয্যা হাসপাতাল। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তর হতে হাসপাতালটির প্রতিষ্ঠাকালীণ ভরত চন্দ্র হাসপাতাল নামে নামকরণের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপ-সচিব মুহাম্মদ শাহাদত খন্দকার স্বাক্ষরিত, ৪৫.০০.০০০০.১৫৬.৯৯.০৭১.১৮-৪৮১ নং স্মারকে একটি প্রঞ্জাপন চিঠি ইস্যু হয়েছে, পাশাপাশি আধুনিক চিকিৎসা সেবায় শয্যাবৃদ্ধি পেয়ে এর নির্মাণ কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নোয়া (নোটিফিকেশন অব এ্যাওয়ার্ড) প্রদান করেছেন বলে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, সুন্দরবন উপকূলীয় লোনা পানির জনপদের সাধারণ মানুষের দীর্ঘ দিনের লালিত স্বপ্ন বৃহত্তর জনগোষ্ঠির চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে মুজিবশত বর্ষেই শুরু হচ্ছে হাসপাতালটির নির্মাণ কাজ। প্রায় ৩ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত ভরত চন্দ্র হাসপাতালটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রূপদানের অংশ হিসেবে প্রথম পর্যায়ে হাসপাতালের মূল পাঁচতলা ভবনের ২য় তলা পর্যন্ত নির্মাণে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ কোটি টাকা। সূত্র জানায়, বরাদ্দকৃত হাসপাতালের নস্কা অনুযায়ী ভরত চন্দ্র হাসপাতাল ভবন আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন হবে। থাকছে অপারেশন থিয়েটার। প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হলে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা যাবে বলেও নিশ্চিত করেছে অপর একটি সূত্র। যার শুরুতে নতুন ভবনটিতে থাকছে ২০ শয্যার সুবিধা। হাসপাতালের আধুনিক ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শেখ ইউসুফ হারুন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ উপস্থিত থাকবেন বলেও জানানো হয়েছে। হাসপাতালটির ইতিহাস থেকে জানাযায়, ১৯১৫ সালের ৭ এপ্রিল রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধু ২০ শয্যা বিশিষ্ট যাদব চন্দ্র চ্যারিটেবল ডিসপেনসারী ও ভরত চন্দ্র হাসপাতাল হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। তৎকালীন জেলা পরিষদ, হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতার প্রদেয় অর্থের লভ্যাংশ দ্বারা পরিচালিত হত। ভৌগলিক অবস্থান বিন্যাসে খুলনা, সাতক্ষীরা ও যশোর সীমানা প্রায় ২০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ভরত চন্দ্র হাসপাতাল প্রায় অর্ধ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানে একমাত্র সরকারী হাসপাতাল হিসেবে এক সময় পরিচালিত হত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ