1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দের সংবর্ধনা সাতক্ষীরার প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা প্রয়াত মমতাজ আহমেদ এঁর কর্মময় জীবনের উপর আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান সাতক্ষীরায় ৩১তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২৪তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা সাতক্ষীরা জেলা ইমাম পরিষদের উদ্যোগে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেবহাটায় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত পারুলিয়া ইউপি কাপ ফাইনালে পিডিকে মিতালী সংঘকে হারিয়ে মাহমুদপুরের জয় পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালিত কাথন্ডা আমিনিয়া আলিম মাদ্রাসার নতুন সভাপতি প্রকৌশলী শেখ তহিদুর রহমান ডাবলুকে শুভেচ্ছা পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী প্যানেলের জয়লাভ : সভাপতি – পঙ্কজ, সম্পাদক – তৈয়ব এগিয়ে চলছে পাইকগাছা-কয়রা-খুলনা সড়কের উন্নয়ন কাজ

প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছর অতিবাহিত হলেও সিসি ক‍্যামেরার সুবিধা থেকে বঞ্চিত বেনাপোল স্থলবন্দর

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে

শার্শা প্রতিনিধি : স্থলপথে আমদানি, রফতানি বাণিজ্য ও রাজস্ব আয়ের দিক দিয়ে বেনাপোল বন্দর সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব বহন করলেও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় বন্দর প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছরেও সিসি ক্যামেরার আওতায় আসেনি বন্দরটি। ফলে বন্দরে আমদানি পণ্য চুরি, দুর্বৃত্তদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বার বার ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডসহ নানান অপ্রতিকর ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় এপথে আমদানিতে নিরুউৎসাহিত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা বলছেন, সিসি ক্যামেরা খুব জরুরি হয়ে দাঁড়ালেও বন্দর কর্তৃপক্ষের গরিমশিতে তা আজও থমকে রয়েছে। আর বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছেন, খুব দ্রুত সিসি ক্যামেরা স্থাপন হবে। এতে বন্দরের নিরাপত্তা ও জবাবদিহিতা বাড়বে। জানা যায়, ১৯৭২ সাল থেকে বেনাপোল বন্দরের সাথে ভারতের আমদানি, রফতানি বানিজ‍্যিক  যাত্রা শুরু। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়াতে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের এপথে প্রথম থেকে বাণিজ্যে আগ্রহ বেশি। দেশে স্থলপথে যে আমদানি,রফতানি বাণিজ্য হয় তার ৬০ শতাংশ হয়ে থাকে শুধু বেনাপোল বন্দর দিয়ে। প্রতিবছর এ বন্দর দিয়ে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার আমদানি ও ৮ হাজার কোটি টাকার রফতানি বাণিজ্য হয়ে থাকে। যা থেকে সরকারের রাজস্ব আসে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু আমদানি পণ্য ও কর্মকর্তা, কর্মীচারীদের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা গুরুত্বপূর্ণ হলেও আজ পর্যন্ত এ বন্দরটিতে স্থাপন হয়নি। নানা অজুহাতে পার করছে ৪৮ বছর। ফলে বন্দর অভ্যন্তরে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আমদানি পণ্য পাচার, নাশকতামূলক বন্দরের পণ্যগারে অগ্নিকাণ্ড, ককটেল বিস্ফোরণ এমন কি নিরাপত্তা কর্মী হত্যার মতও ঘটনা ঘটছে। তবে সিসি ক্যামেরা না থাকায় এসব ঘটনার রহস্য উৎঘাটন ও অভিযুক্তরা সব সময় থাকছে ধরা ছোওয়ার বাইরে। এতে ব্যবসায়ীরা লোকসান ও আতঙ্কের মধ্যে পড়ে এবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানিতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, বন্দরে বারবার চুরি সন্ত্রাসী কর্মকান্ড আর ককটেল বিষেস্ফারণের ঘটনা ঘটলে ব্যবসায়ীরা কিভাবে এ বন্দর দিয়ে আমদানি, রফতানি করবেন? আশ্বাসে থমকে রয়েছে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ। রফতানিকারক তৌহিদুজ্জামান জানান, ডিজিটাল দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দরে সিসি ক্যামেরা থাকবেনা এটা হয়না। সিসি ক্যামেরা যেমন আমদানি পণ্যের নিরাপত্তা বাড়ায় তেমনি সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারীদেরও নিরাপত্তা দেয়।

শার্শা উপজেলা দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান লিটু জানান, বর্তমান যুগে সব জায়গায় সিসি ক্যামেরার ব্যবহার। কিন্তু যে বন্দরে ব্যবসায়ীদের হাজার হাজার কোটি টাকার আমদানি, রফতানি পণ্য রয়েছে সে বন্দরে সিসি ক্যামেরা লাগাতে বন্দরের কেন এত গরিমশি বুঝতে পারছি না। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, সিসি ক্যামেরা এখন কোন প্রসাধনী জিনিস না। বন্দর কর্তৃপক্ষ বার বার প্রতিশ্রুতি দিয়েও এখন পর্যন্ত এবন্দরে সিসি ক্যামেরা লাগেনি। ফলে পণ্য চুরি, অগ্নিকাণ্ডসহ নানান ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন। ভারত-বাংলাদেশ ল্যান্ডপোর্ট ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট কমিটির চেয়ারমান মতিয়ার রহমান জানান, নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা লাগাতে বন্দর কর্তৃপক্ষের গরিমশি বুঝিনা। এটা সরকারকে দেখতে হবে। বেনাপোল বন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আব্দুল জলিল জানান, খুব দ্রুত বন্দরে সিসি ক্যামেরা বসবে। এতে বন্দরের যেমন নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে তেমনি কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে। উল্লেখ্য, গত এক যুগে বেনাপোল বন্দরে বড় ধরনের ৭টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক দেড় হাজার কোটি টাকার পণ্য পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্যবসায়ীরা। এছাড়া বন্দর পণ্যগার থেকে ১০টি ককটেল উদ্ধার ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে বন্দরে সিসি ক্যামেরা না থাকায় অগ্নিকাণ্ডের কোন রহস্য বা দুর্বৃত্তরা শনাক্ত হয়নি।যার ফলে একের পর এক চুরি অগ্নিকাণ্ডের মত অসংখ্য ঘটনা ঘটছে অহরহ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ