1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সুইডেনের আদলে ২০০ কি.মি. বৈদ্যুতিক সড়ক বানাচ্ছে ভারত শিগগির বিয়ে করতে যাচ্ছেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা! ই-কমার্স বন্ধ না করে প্রতারণা ঠেকাতে আইন করার তাগিদ ৪ মন্ত্রীর নরসিংদী পলাশে এক নারীর স্বর্ণ চুরি করতে গিয়ে ৭ নারী গ্রেফতার নলতায় জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করলেন তুফান গড়ইখালীর নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম কেরু’র নির্বাচন পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় কুলিয়ায় কয়েক হাজার নেতাকর্মী নিয়ে আছাদুল হকের মোটর শোভাযাত্রা দেবহাটার ওসি-সেকেন্ড অফিসারকে বদলী, ভারপ্রাপ্ত ওসি ফরিদ আহমেদ খলিশাখালি সহস্রাধিক বিঘা জমি দখলের ঘটনায় সরেজমিনে মামলার তদন্তে পিবিআই সাতক্ষীরায় তথ্য অধিকারের ওপর সচেতনতামূলক প্রচারণা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

চলতি মৌসুমে ১৭ হাজার হেক্টর জমিতে আমনের চাষাবাদ; বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাঁসি

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক কৃষক ধান কাটতে শুরু করেছেন। ভাল ফলন হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানের ক্ষতি কৃষকরা অনেকটাই পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উপজেলা কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর চলতি মৌসুমে ১৭ হাজার ১শ হেক্টর জমিতে আমন চাষাবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেন। লক্ষমাত্রার স্থলে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ১৭ হাজার ২০ হেক্টর জমিতে উন্নত ও দেশীয় জাতের আমন ফসলের চাষ হয়েছে। উন্নত জাতের মধ্যে রয়েছে বিআর-১০, বিআর-১১, বিআর-২৩, ব্রী-ধান ৩৯, ব্রী-ধান ৪৯, ব্রী-ধান ৭৬, ব্রী-ধান ৭৩, বিনা-১৯, বিনা-০৭। স্থানীয় জাতের মধ্যে রয়েছে, হরিভোগ, হরকোচ, জটাবালাম ও আশফাইল। এ বছর পোকার আক্রমন দেখা দিলেও সঠিক সময়ে কৃষি বিভাগ পোকা দমনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করায় আমন ফসলের বাম্পার ফলন হয়েছে। গোপালপুর গ্রামের কৃষক সলেমান মোড়ল জানান, চলতি মৌসুমে ৭ বিঘা জমিতে বিআর-২৩ ও ব্রী-ধান ৪৯ আবাদ করেছি। ভাল ফলন হবে বলে আশা করছি। গজালিয়া গ্রামের আমন উল্লাহ ফকির জানান, ৬ বিঘা জমিতে বিআর-১০ ও ২৩ এবং ব্রী-ধান ৪৯ চাষ করেছি। দু’একদিনের মধ্যে ধান কাটা শুরু করবো। বিগত বছরের চেয়ে এ বছর আমনের ভাল ফলন হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, কাইচ থোড় অবস্থায় আমন ফসলে পাতা মোড়ানো মাজরা ও গাছ ফড়িং পোকার আক্রমন হয়। পোকার উপস্থিতি টের পেয়েই সাথে সাথে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে আলোকফাঁদ স্থাপন সহ পোকা দমনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং কৃষকদের নানাভাবে পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হয়। যার ফলে পোকায় ফসলের তেমন কোন ক্ষতি করতে পারেনি। এলাকার সব খানেই এ বছর আমনের ভাল ফলন হয়েছে। আশা করছি হেক্টর প্রতি ৫.৭ মেট্রিকটন ধান উৎপাদন হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ