1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০২:৫৫ অপরাহ্ন

র্ডপ পানিই জীবন প্রকল্প বদলে দিয়েছে সালমার পরিবারের স্বাস্থ্য অভ্যাস

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বান্দিকাটি গ্রামের বাসিন্দা সালমা বেগম। সালমা বেগমের বয়স ৩১ বছর । স্বামী পরিত্যাক্তা সালমার পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৩ জন। এক ছেলে, বাবা ও সে নিজে। ছেলের বয়স ১২ বছর সে লেখাপড়া করে আর বাবার বয়স ৫৫ বছর । র্ডপ পানিই জীবন প্রকল্প তাদের ইউনিয়নে কাজ শুরু করলে এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে স্বাস্থ্য গ্রাম দল যখন গঠন করে। তখন সালমা বেগম স্বাস্থ্য গ্রাম দলের সদস্য হয়। স্বাস্থ্য গ্রাম দলের প্রতিটি দ্বি-মাসিক সভায় তিনি নিয়মিত অংশ গ্রহন করেন। সালমার বাড়িতে কোন স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিন ছিলনা, স্বাস্থ্য গ্রাম দলের সভায় তিনি অস্বাস্থ্যকর ল্যাট্রিনের ক্ষতিকর দিক সমূহ জানতে পারেন ফলে অনেক কষ্ট করে টাকা জোগাড় করে একটি স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন তৈরী করেন। তাদের গ্রামের সবচেয়ে প্রধান সমস্যা হলো নিরাপদ পানির সমস্যা। তার বাড়ির কাছাকাছি কোন নিরাপদ খাবার পানির উৎস না থাকায় আশপাশের অরক্ষিত পুকুর বা ডোবার পানি ব্যবহার করতে হতো। অনেক কষ্টে খাবার পানি কিনে খেতে হতো। পানিই জীবন প্রকল্প অত্র উপজেলার গড়ইখালী, গদাইপুর, রাড়–লী ও কপিলমুনি ৪টি ইউনিয়নে কাজ করছে। ২০১৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংস্থাটি ১ হাজার লিটারের ২২০টি প্লাস্টিক ট্যাংক অত্র কর্ম এলাকায় বিতরণ করেছে। স্বাস্থ্য গ্রাম দলের সকল সদস্যের সুপারিশক্রমে পানিই জীবন প্রকল্পের পক্ষ থেকে সালামাকে ১ হাজার লিটারের একটি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ জার প্রদান করা হয়। এ ব্যাপারে সালমাকে প্রশ্ন করা হয় এই প্লাষ্টিক ট্যাংক পাবার ফলে তার কি কি উপকার হয়েছে উত্তরে তিনি জানান যে, ”র্ডপ আমারে প্লাষ্টিক ট্যাংক দেয়ায় এহন আর রোগ বালাই অয়না, লবন পানি খাতি অয়না, মিষ্টি পানি খাই” বর্তমানে তাকে আর পানি কিনে খেতে হয় না। স্বাস্থ্য গ্রাম দলের সভার মাধ্যমে সচেতন হয়ে তিনি এবং তার পরিবারের সকল সদস্য গন সকল স্বাস্থ্য অভ্যাস পালন করে চলে। এখন তার সংসারে আগেরমত কোন পানিবাহিত ও মলবাহিত রোগ হয় না। ফলে তাদের সংসারে আগেরমত সব সময় যেমন ঔষধ ক্রয় করতে হতো এখন আর ঔষধ ক্রয় করতে হয় না। ফলে সংসারে ঔষধ ক্রয়ের টাকা টা অন্য কাজে ব্যয় করতে পারে। সালমা বেগম তার এই পরিবর্তনের জন্য পানিই জীবন প্রকল্পের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ