1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আবারো জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু, আশীর্বাদ চাইলেন শ্রাবন্তী হাট-বাজারের দরপত্র দাখিলে অনিয়ম, রাতেও সিডিউল বিক্রির অভিযোগ আশাশুনিতে থানা পুলিশের অভিযানে গরু ও গাড়িসহ দুই চোর গ্রেফতার আশাশুনিতে আইন-শৃঙ্খলা বিষয় নিয়ে গ্রাম পুলিশদের সাথে জরুরী আলোচনা শার্শায় সন্ত্রাসী হামলায় ৪ জন ছাত্র আহত পাইকগাছায় নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে পল্লীসমাজের উঠান বৈঠক পাইকগাছা পৌরসভার নতুন ওয়াটার রির্জারভার এর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অবদান রাখায় সম্মাননা পেলেন ইউএনও খালিদ হোসেন অপ্রচলিত কৃষি পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিতে প্যাকেজিং বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত প্রতিবন্ধী আল-আমিনকে আর্থিক সহায়তা দিলেন ইউএনও খালিদ হোসেন

সাতক্ষীরায় মটরশুটি চাষে প্রেমের সাফল্য

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

মোতাহার নেওয়াজ মিনাল,সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরায় সম্প্রতি মটরশুটি চাষে আগ্রহ বাড়ছে। অধিক লাভবান হচ্ছে চাষীরা। এলাকায় এর যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। সবুজ জাতীয় সবজি মটরশুটি বিভিন্ন কাঁচা ও রান্না করে খাওয়া যায়। বর্তমানে সাতক্ষীরার বিভিন্ন কাঁচা বাজারে আগের তুলনায় মটরশুটি বেশ চোখে পড়ে। একসময় খুব কমই পাওয়া যেত এই সবজিটি। মটরশুটির ক্রেতাও বাড়ছে। শহরের কদমতলা বাজারে শবজি বিক্রেতা ইলিয়াস আলী জানান, একসময় আমাদের বাজারে মটরশুটি কেনাবেচা খুবই কম হতো। আজকাল বাজারে মটরশুটি বেশ ভাল বেচাকেনা হয়। এখন দিনে ১০-২০ কেজি যতটুকু রাখি না কেন সব বিক্রি হয়ে যায়।
এখন মটরশুটি ফসল তোলা শেষ পর্যায়ে। অক্টোবর থেকে এর চাষ শুরু হয়। বীজ বপনের ৪০-৫০ দিনের মধ্যে ফসল উঠানো শুরু হয়। তিন থেকে সাড়ে তিন মাস পর্যন্ত ফল উঠানো যায়। মটরশুটির গাছ ও খোসা গো-খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করা যায়। এ বছর জেলার কাঁচা বাজার গুলোতে ১২০০-১৬০০ টাকা পর্যন্ত মণ বিক্রি হচ্ছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁখারঘোজ, ছোনকা, ঘোনা গ্রাম এবং কলারোয়া ও তালা উপজেলার বিভিন্ন মাঠে মটরশুটি চাষ হয়েছে। সদর উপজেলার বাঁখারঘোজ এলাকায় প্রায় ৩০ জন চাষী মটরশুটি চাষে বেশ লভবান হয়েছেন। এই সবজি চাষ লাভজনক হওয়ায় এলাকায় চাষীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ওই এলাকার ছোনকা গ্রামের একজন কৃষক প্রেম আনান্দ গাইন। তিনি চার বছর ধরে মটরশুটি চাষ করছেন। এ চাষে তিনি অনেক লাভবান হয়েছেন। স্ত্রী কমলা বালা ও দুই ছেলে তার কৃষি কাজে সহযোগিতা করেন। চাষের সময়টুকু খুব ব্যস্ততায় সময় কাটান। এই চাষকে কেন্দ্র করে প্রেম আনান্দের পরিবার এখন স্বচ্ছল। তিনি জানান, চার বছর আগে ভারতে ফুফুর বাড়ীতে বেড়াতে যেয়ে এই চাষে আগ্রহ তৈরী হয়। একবিঘা জমি ১৫ হাজার টাকা দরে লীজ গ্রহন করি। অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি নিদিষ্ট সময় ওই বছর এক বিঘা জমিতে মটরশুটি চাষ শুরু করি। এখন তিন বিঘা জমিতে এই চাষ রয়েছে। বিঘা প্রতি জমিতে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি বিঘায় ৪৫-৫০ মন মটরশুটির ফল পাওয়া যাবে। এ বছর প্রতিমণ ১২০০-১৬০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আগামী বছর জমি পেলে চাষের আওতা আরো বাড়াতে চান বলে তিনি জানান।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছরে মটরশুটির ফলনন ভাল হয়েছে। জেলায় দিন দিন ক্রেতাও বাড়ছে। ভাল দাম পাওয়ার কারণে কৃষকেরা এই সবজি চাষে বেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে। জেলায় সদর উপজেলায় ১০ হেক্টর জমিতে মটরশুটির চাষ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ৫ হেক্টর জমিতে মটরশুটির চাষ বেশী হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ