1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাশেমপুরে মাদানী জামে মসজিদের ছাদ ঢালাইয়ের উদ্বোধন দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদকের সহধর্মীনির অকাল মৃত্যুতে সাতক্ষীরা সাংবাদিক ইউনিয়নের শোক কলারোয়ার যুগিখালীতে ৪র্থ বার বিনা প্রতিন্দীতায় নির্বাচিত ইউপি সদস্য মফিজুল ইসলাম দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদকের সহধর্মীনির অকাল মৃত্যুতে এমপি রবি’র শোক ছোট ভাইকে উদ্ধারের দাবীতে বড় ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরায় ওর্য়াড পুলিশিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দেবহাটা প্রেসক্লাবের বার্ষিক সভায় বর্তমান কমিটির মেয়াদ বর্ধিত; সদস্য অন্তর্ভূক্তির লক্ষ্যে উপ-কমিটি খলিশাখালি দখলের এক সপ্তাহ; জমি পুনরুদ্ধারে দখলচ্যুত মালিকদের সংবাদ সম্মেলন জেলা আলীগের সাধারন সম্পদক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের সাথে সাংবাদিক ইউনিয়নের শুভেচ্ছা বিনিময় খলিশাখালিতে প্রতিবাদ সমাবেশ, প্রশাসনের সহযোগীতা চান ভূমিহীনরা

সাতক্ষীরায় মটরশুটি চাষে প্রেমের সাফল্য

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

মোতাহার নেওয়াজ মিনাল,সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরায় সম্প্রতি মটরশুটি চাষে আগ্রহ বাড়ছে। অধিক লাভবান হচ্ছে চাষীরা। এলাকায় এর যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। সবুজ জাতীয় সবজি মটরশুটি বিভিন্ন কাঁচা ও রান্না করে খাওয়া যায়। বর্তমানে সাতক্ষীরার বিভিন্ন কাঁচা বাজারে আগের তুলনায় মটরশুটি বেশ চোখে পড়ে। একসময় খুব কমই পাওয়া যেত এই সবজিটি। মটরশুটির ক্রেতাও বাড়ছে। শহরের কদমতলা বাজারে শবজি বিক্রেতা ইলিয়াস আলী জানান, একসময় আমাদের বাজারে মটরশুটি কেনাবেচা খুবই কম হতো। আজকাল বাজারে মটরশুটি বেশ ভাল বেচাকেনা হয়। এখন দিনে ১০-২০ কেজি যতটুকু রাখি না কেন সব বিক্রি হয়ে যায়।
এখন মটরশুটি ফসল তোলা শেষ পর্যায়ে। অক্টোবর থেকে এর চাষ শুরু হয়। বীজ বপনের ৪০-৫০ দিনের মধ্যে ফসল উঠানো শুরু হয়। তিন থেকে সাড়ে তিন মাস পর্যন্ত ফল উঠানো যায়। মটরশুটির গাছ ও খোসা গো-খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করা যায়। এ বছর জেলার কাঁচা বাজার গুলোতে ১২০০-১৬০০ টাকা পর্যন্ত মণ বিক্রি হচ্ছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁখারঘোজ, ছোনকা, ঘোনা গ্রাম এবং কলারোয়া ও তালা উপজেলার বিভিন্ন মাঠে মটরশুটি চাষ হয়েছে। সদর উপজেলার বাঁখারঘোজ এলাকায় প্রায় ৩০ জন চাষী মটরশুটি চাষে বেশ লভবান হয়েছেন। এই সবজি চাষ লাভজনক হওয়ায় এলাকায় চাষীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ওই এলাকার ছোনকা গ্রামের একজন কৃষক প্রেম আনান্দ গাইন। তিনি চার বছর ধরে মটরশুটি চাষ করছেন। এ চাষে তিনি অনেক লাভবান হয়েছেন। স্ত্রী কমলা বালা ও দুই ছেলে তার কৃষি কাজে সহযোগিতা করেন। চাষের সময়টুকু খুব ব্যস্ততায় সময় কাটান। এই চাষকে কেন্দ্র করে প্রেম আনান্দের পরিবার এখন স্বচ্ছল। তিনি জানান, চার বছর আগে ভারতে ফুফুর বাড়ীতে বেড়াতে যেয়ে এই চাষে আগ্রহ তৈরী হয়। একবিঘা জমি ১৫ হাজার টাকা দরে লীজ গ্রহন করি। অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি নিদিষ্ট সময় ওই বছর এক বিঘা জমিতে মটরশুটি চাষ শুরু করি। এখন তিন বিঘা জমিতে এই চাষ রয়েছে। বিঘা প্রতি জমিতে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি বিঘায় ৪৫-৫০ মন মটরশুটির ফল পাওয়া যাবে। এ বছর প্রতিমণ ১২০০-১৬০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আগামী বছর জমি পেলে চাষের আওতা আরো বাড়াতে চান বলে তিনি জানান।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছরে মটরশুটির ফলনন ভাল হয়েছে। জেলায় দিন দিন ক্রেতাও বাড়ছে। ভাল দাম পাওয়ার কারণে কৃষকেরা এই সবজি চাষে বেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে। জেলায় সদর উপজেলায় ১০ হেক্টর জমিতে মটরশুটির চাষ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ৫ হেক্টর জমিতে মটরশুটির চাষ বেশী হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ