1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাশেমপুরে মাদানী জামে মসজিদের ছাদ ঢালাইয়ের উদ্বোধন দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদকের সহধর্মীনির অকাল মৃত্যুতে সাতক্ষীরা সাংবাদিক ইউনিয়নের শোক কলারোয়ার যুগিখালীতে ৪র্থ বার বিনা প্রতিন্দীতায় নির্বাচিত ইউপি সদস্য মফিজুল ইসলাম দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদকের সহধর্মীনির অকাল মৃত্যুতে এমপি রবি’র শোক ছোট ভাইকে উদ্ধারের দাবীতে বড় ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরায় ওর্য়াড পুলিশিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দেবহাটা প্রেসক্লাবের বার্ষিক সভায় বর্তমান কমিটির মেয়াদ বর্ধিত; সদস্য অন্তর্ভূক্তির লক্ষ্যে উপ-কমিটি খলিশাখালি দখলের এক সপ্তাহ; জমি পুনরুদ্ধারে দখলচ্যুত মালিকদের সংবাদ সম্মেলন জেলা আলীগের সাধারন সম্পদক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের সাথে সাংবাদিক ইউনিয়নের শুভেচ্ছা বিনিময় খলিশাখালিতে প্রতিবাদ সমাবেশ, প্রশাসনের সহযোগীতা চান ভূমিহীনরা

অবশেষে নির্মিত হচ্ছে তালার কানাইদিয়া-কপিলমুনি ব্রিজ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ১৫০ বার পড়া হয়েছে

এসএম বাচ্চু,তালা(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি: অবশেষে তালা উপজেলার সীমান্তবর্ত্তী বেইলি ব্রিজ তৈরী দীর্ঘ ১৮ বছর বন্ধ থাকার পরে নতুন করে তৈরী করার উদ্যেগ নিয়েছেন সরকার । গত ২৩ তারিখ স্পেন সরকারের অনুদানে বেইলি ব্রিজ নির্মাণ করার জন্য ঢাকা থেকে আসা একটি পরিদর্শন টিম পরিদর্শন করে ব্রিজটি নির্মান করার আশা ব্যাক্ত করেন । পরিদর্শনের সময় তালা উপজেলা এলজিইডি অফিসের কর্মকর্তা ও জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক লিটু উপস্থিত ছিলেন । প্রকাশ, তালার কানাইদিয়া-কপিলমুনি ব্রিজ নির্মাণের জন্য তৎকালীন সময়ে কাজের ব্যয় ধরা হয় হয় ১ কোটি ৯৩ লাখ ৪২ হাজার ৯১৯ টাকা ৫৫ পয়সা। কাজের মান প্রশ্নে পরবর্তী সময়ে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২ কোটি ৩৬ লাখ টাকায়। নির্মাণের দায়িত্ব পায় এন হক এসোসিয়েট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কার্যক্রম শুরু হয় ২০০০ সালের ১২ এপ্রিল। এরপর ২০০৩ সালের ১২ নভেম্বর পর্যন্ত আংশিক কাজ শেষ করে আইএফআইসি ব্যাংক খুলনা শাখা থেকে ১ কোটি ৬৭ লাখ ৭২২ টাকা উত্তোলন করে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়। পরবর্তী পর্যায়ে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। খুলনা মহানগর হাকিম আদালতে খুলনা এলজিইডি মামলা করে। যার ফলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে মামলাসহ নানা জটিলতা কারণে সেতু নির্মাণ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ব্রিজটির বাকি কাজ সমাপ্ত করতে ইসলাম গ্রæপ নামের অপর একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দায়িত্ব পায়। তারা নির্মাণকাজ শুরু করে ২০০৪ সালে। তখন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সাতক্ষীরা কপোতাক্ষ নদের স্রোত বাধা পাবে মর্মে একটি চিঠি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করলে সেতু নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু নদের বক্ষে ১৮টি পিলার থেকে যায়। পিলারগুলোর একদিকে জোয়ার-ভাটায় পলি জমছে, ভরাট হচ্ছে। বর্তমানে ব্রিজটির পাশে তৈরী কৃতি বাশের সাকো দিয়ে জনসাধারণ, স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে যাওয়ার পথে দূঘটনার শিকার হতে থাকে । উক্ত সংবাদ বিভিন্ন পত্র প্রত্রিকায় প্রকাশ করা হলে অবেশেষে হত ২৩ তারিখ স্পেন সরকার কৃতৃক অনদানকৃত টাকা দিয়ে বেইলি ব্রিজটি নির্মাণের জন্য ঢাকা থেকে একটি পরিদর্শনটিম তদন্তে এসে ব্রিজটি পুর্ণ র্নিমার্ণের জন্য দ্রæত ব্যাবস্থা নেওয়ার আশ^াস প্রকাশ করেন ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ