1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০২:১১ অপরাহ্ন

ভোমরায় ধরনী হাতে ইনজেকশান পুশ করায় গর্ববতী মর্মান্তিক মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ২৭৩ বার পড়া হয়েছে

শেখ হাসান গফুর (সাতক্ষীরা) : সাতক্ষীরার ভোমরা বন্দরের লক্ষ্মীদাঁড়ী গ্রামে আব্দুল হামিদের স্ত্রী মোছাঃ নারগিস খাতুন (৩২) প্রসাব ব্যাথা শুরু হয়। ১৭ফেব্র“য়ারি ২০২০, সোমবার, সে সময় স্থানীয় ধরনী মোছাঃ আম্বিয়া খাতুনের কাছে ফোন দিয়ে ডাকা হয়। আম্বিয়া খাতুন এসে রোগী নারগিস খাতুন ও তার মা মাহফুজা খাতুনের সাথে কথা বলে তখন তারা বলে আমরা কোন কিছু জানিনা। আপনি যেটা ভাল মনে করেন, সেটা করেন। তখন ধরনী মহিলা মেম্বর হওয়ায় সে তাদের বলে কোন ডাক্তারের কাছে যাওয়া বা ডাকা লাগবে না, নরমলে ডেলিভারি করাবো। পরে আমাকে খুশি করবেন। তারা বলে হ্যাঁ আপনাকে খুশি করবো। সন্ধ্যা থেকে রাত ২.০০ টা পর্যন্ত প্রচুর চেষ্টার পর যখন কোন ফলাফল না আসে তখন আম্বিয়া খাতুন তার ডাক্তারী কাজ শুরু করে। ডেলিভারি রুগি নারগিস খাতুন দুর্বল থাকার পরও তার শরিরে প্রেসার না মেপে রুগি রক্ত শুন্যতা থাকার পরও কোন ডাক্তারকে না ডেকে ধরনী মেম্বর নিজেই রুগির শরিরে ইনজেকশান পুশ করে। তার পর রুগি নারগিসের প্রচুর প্রসাব ব্যাথা শুরু হয়। রাত প্রায় ৩.৩০ মিনিটে নারগিস পুত্র সন্তান প্রসাব করেন। পুত্র সন্তান প্রসাব হওয়ার পরপরই নারগিসের শরির ঠান্ডা হতে শুরু হয়। নারগিস তখন বলে যে, আমার কেমন হচ্ছে। নারগিসের মা মাহফুজা খাতুন বলে, তোর মেম্বর নানি আছে ভাল মন্দ সেই ভাল জানে। আমার মাথা খারাপ আমি ভাল জানিনা। মহিলা মেম্বর বলে নারগিস তোর কিছুই হবেনা আমি আছি। আজকে শুধু তোকে ডেলিভারি না এর আগে কমপক্ষে ২০০ ডেলিভারি করাইছি। এ কথা বলে তাকে সান্তনা দেই। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, ধরনী মহিলা মেম্বর যে নিজে ডাক্তার, নিজেই ধরনী। নারগিস খাতুন শারিরীক ভাবে অনেক দূর্বল থাকার পরও তাকে কোন ক্লিনিকে বা হাসপাতালে ও কোন গ্রাম্য ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে দেইনি এই ধরনী মহিলা মেম্বর। এমন অবস্থায় সোমবার রাত ৩.৩০মিনিটে নারগিস খাতুনকে সন্তান প্রসাব করান। গত কয়েকদিন অসুস্থ্য থাকার পর গত মঙ্গলবার দুপুর ১২.৩০ মিনিটে নারগিস খাতুন মৃত্যু বরণ করেন। রোগীর মৃত্যুর পর ধরনী অবস্থার বিগতিক দেখে প্রশাসনকে না জানিয়ে তড়ি ঘড়ি করে লাস দাফনের ব্যবস্থা করে। এবং ভুক্তভোগীরা যাহাতে প্রশাসন ও গ্রামের মাতবরদের না জানায় সে ব্যাপারে ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা আশ্বাস ও ভয়ভীতি দেখিয়ে চলছে প্রতিনিয়ত। এব্যাপারে তার মুটোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমি প্রথমে যেয়ে ্ওখান থেকে চলে যায়। পরে স্থানীয় সাকাওয়াত হোসেন সাকু ডাক্তার এসে ইনজেকশান দেয় আমি মাঝে মাঝে গিয়ে খোজ নিতাম পরে শুনি সে মারা গেছে। এবিষয়ে ডাঃ সাকুর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এলাকাবাসী বলেন, মহিলা মেম্বর সে তার পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার জন্য এসব কৌশল প্রয়োগ করে। সে শুধু এতেই ক্ষেন্ত নয়, সরকারী বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, শিশু কার্ড করে দেওয়ার নাম করে অসহয় মানুষের কাছে থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। এলাকাবাসী ধরনী মেম্বরের কবল থেকে রেহায় পেতে উদ্ধর্তনকর্তৃপক্ষে হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ