1. mirzaromeohridoy@gmail.com : Kazi Sakib : Kazi Sakib
  2. hridoysmedia@gmail.com : news :
শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৭:০২ অপরাহ্ন

রাজাকার পুত্র তালার তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন সভাপতির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১০৯ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : আওয়ামীলীগে অনু-প্রবেশকারী ও রাজাকার পুত্র সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন সভাপতি আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, তেতুলিয়া ইউনিয়নের ১নং আড়ংপাড়া ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আবুল কালাম আজাদ শুভাষিনি থেকে স্কুল জীবন শেষ করে যশোর জেলার কেশবপুর কলেজে শিক্ষা গ্রহণ কালে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজনিতিতে সক্রিয় ছিলেন। শিক্ষা জীবন শেষে তিনি একটি বে-সরকারি সংস্থা “উত্তরণ” এ চাকুরিতে যোগদান করে ২০০৮ সালে আয়ারল্যান্ডের টোকেয়ার প্রজেক্ট “এডুকেশন” প্রকল্পে কাজ করা কালিন সময়ে তার বিরুদ্ধে দূর্ণিতি প্রমানিত হলে তিনি চাকুরিচুত্য হন। এরপর তিনি আওয়ামীগে যোগদান করেন। যোগদানের পর ২০১২/১৩ সালে যখন জামায়াত-বিএনপি দেশে জালাও পোড়াও তান্ডব শুরু করেন তখন তিনি নিস্ক্রিয় ভুমিকা পালন করে গোপনে তাদের অর্থ যোগানও দিয়েছেন। পরে ২০১৩ সালে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
তিনি আরো বলেন, আবুল কালাম আজাদের পিতা ছিলেন একজন রাজাকার এবং চাচা কেরামত আলি ছিলেন তৎকালিন ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের সময় পিচ কমিটির সভাপতি। ভাই সোলাইমান বর্তমানে জামায়াত ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা। এছাড়াও জামায়াত-বিএনপির সাথে তার রয়েছে গভীর সখ্যতা। পারিবারিক জীবনে তার স্ত্রী দিলরুবা বেগম পাটকেলঘাটার এক প্রভাবশালী বিএনপি নেতার বোন। বর্তমান সরকার দলে অনু-প্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার ঘোষনার পরও তাকে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে রাখায় আওয়ামীলীগের অধিকাংশ ওয়ার্ড সভাপতিগণ ও নেতা-কর্মীরা তাকে নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় তুলেছেন। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি দলের মধ্যে কোন্দল ও বিভেদ সৃষ্টি হতে শুরু করেছে। তিনি আরো বলেন, আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারী আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে গত ৫ ডিসেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদক বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এমতাবস্থায় তিনি (সোহরাব) দলীয় উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে জরুরী ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মী শেখ ইউসুফ আলী, হামিদুর রহমান, মিজানুর রহমান, কামরুল ইসলাম, রাজু মোড়ল, শাহাজা মল্লিক, পরিতোষ রায়, গণেষ ঘোষ, আঃ বারী, আতিয়ার রহমান, তহিদুজ্জামান, রুহুল আমিন, শংকর কুমার দাশ, কাজী আঃ হামিদ, মফিজুর রহমান প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ